জনতার খবর ডেক্সঃ
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো এবং মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, প্রয়োজনে নিজে গুলি খাওয়ার জন্যও প্রস্তুত আছি।
শনিবার (৫ মার্চ) নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এখানে যারা পুলিশ প্রশাসনের লোকজন আছেন, হয়তোবা তারাও আমাদের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে এসেছেন। কারণ, আমাদের দাবিটা একটা মৌলিক বিষয়, এর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে হবে। ঘুষ, দুর্নীতি আছে। সরকারি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে পুলিশের নাম বেশি শোনা যায়। তারপরও কয়জন পুলিশ ঘুষ পায় বা খায়? ৯৭ ভাগ পুলিশই ঘুষ পান না। এই পুলিশের লোকজন বাজারে গেলে তাদের কাছ থেকে কম নেয় না। এমন তো না আমার কাছ থেকে বেশি নেয়, পুলিশের কাছ থেকে কম নেয়। সরকারকে বলব, মানুষ অভাবের কথা বলবে, তার সুযোগ কেন থাকবে না?
এর আগে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাতে সমাবেশের জন্য জিনজিনরা পার্টি অফিসের পাশে একটি মঞ্চ করলে তা ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে ভেঙ্গে দেয়। এ সময় সেখানে আমার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা নেতাকর্মীদেরও মারধর করা হয়। এতে ২৫ জনের মতো নেতাকর্মী আহত হয়। খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে ঘটনাস্থলে ছুটে যান আমাদের নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। রাতভর জিনজিনরা পার্টি অফিসে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান করেন তিনি।
কেরানীগঞ্জের সেই ঘটনা তুলে ধরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সুস্থভাবে আমরা রাজনীতি করতে চাই। কেরানীগঞ্জের মানুষগুলো একসঙ্গে বসবাস করতে চাই। আমরা হিন্দু সম্প্রদায় যেমন পূজার সময় পূজা করি, তেমনি মুসলমানরা নামাজের সময় নামাজ পড়ে। রাজনীতিতেও আওয়ামী লীগের কথা থাকলে মিটিং করবে, আমাদের সমালোচনা করবে। আমরা তার প্রতি উত্তর দিবো আরেকটি সভা করে। কিন্তু কারও সভা ভেঙ্গে নয়












