পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর। তাদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী। এর মধ্যে ৮ জন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। একজন শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। আরেকজনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
১০ জুন শনিবার দিবাগত রাতে হজ সম্পর্কিত প্রতিদিনের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।
মারা যাওয়া এসব হজযাত্রী গত ৩১ মে থেকে গত শুক্রবারের (৯ জুন) মধ্যে মারা যান। তারা হলেন–গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের আব্দুল ওয়াহেদ (৪৬), রাজধানীর ডেমরার শাহানারা বেগম (৬৩), পাবনার চকছাতিয়ানী মাঠপাড়ার ডা. শফিকুল ইসলাম (৬৩), শেরপুরের ঝিনাইগাতীর আলী হোসাইন (৬৭), রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আইয়ুব খান (৪৮), পঞ্চগড়ের ছোটদাপের শহীদুল আলম (৬৭), বগুড়ার আদমদীঘির রোকেয়া বেগম (৬২), নওগাঁর আত্রাইয়ের আদম উদ্দিন মণ্ডল (৬২), রংপুর সদরের মতিউর রহমান (৬৮) এবং গাইবান্ধার বনারীপাড়ার আমজাদ হোসেন আকন্দ (৬৫)।
মক্কায় হজ এজেন্সির ভাড়া করা হোটেল, সৌদি আরবে বাংলাদেশ মিশনের ক্লিনিকে আসার পথে, কিং ফয়সাল ও কিং আবদুল আজিজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মিশনের ক্লিনিক এবং কিং ফয়সাল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারা মারা যান।
সৌদি আরবে বাংলাদেশ হজ অফিসে কর্মরত পদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত হজযাত্রীদের সৌদি আরবের মক্কায় শরাইয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২১ মে চলতি বছরের হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু হয়। সৌদি আরবে যাওয়ার শেষ ফ্লাইট আগামী ২২ জুন।
অন্যদিকে, হজ পালন শেষে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হবে আগামী ২ জুলাই। হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে ২ আগস্ট।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে চলতি বছরের ২৭ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। কিন্তু হজের খরচ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় ৯ দফা সময় বাড়িয়েও কোটা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। সর্বশেষ প্রায় ৫ হাজার কোটা সৌদি সরকারকে ফেরত দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।












