মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘণ বিচার বর্হিভূত হত্যা। ইতিহাসের ঘৃন্যতম বিচার বহির্ভূত হত্যার নিকৃষ্টতম উদাহরণ ১৯৭৫সালে বাংলাদেশে সংঘটিত দু’টি জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড। এর একটি ১৫ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড অপরটি ৩রা নভেম্বর ঢাকা জেলখানায় অন্তরিণ থাকা অবস্থায় বিনাবিচারে জাতীয় চার নেতার হত্যা কাণ্ড। আজ জেল হত্যা দিবস ! বাঙালী জাতির আরেকটি গভীর শোকের দিন ! এ জাতিকে পুরোপুরি পঙ্গু করার জন্যই ঘাতকরা সেদিন রাতের আঁধারে পৃথিবীর জঘন্যতম এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে ! এ শোকের কি শেষ আছে ! রক্তের দাগ না শুকাতেই খুনিরা এ মর্মান্তিক হত্যাকান্ড ঘটালো। এবং যাদেরকে হত্যা করা হলো, তারা হলেন বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী সফল অধিনায়ক। বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে কাছের মানুষ, যোগ্য উত্তরসূরী। ঘাতকরা জানতো এই জাতীয় চার নেতা জীবিত থাকলে তারা কোন দিন পার পাবেনা। তাই তারা ৩রা নভেম্বর এ জগন্যতম হত্যাকান্ডে মেতে উঠলো! খুনিরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেও নিজেদেরকে নিরাপদ ভাবতে পারেনি, সব সময় আতঙ্কে ছিল কখন জনতা ফুঁসে উঠে! কলঙ্ককময় ইতিহাস সৃষ্টির সাথে জড়িত যারা এরাতো এদেশেরই মিরজাফরদের দোসর! মানুষ নামের কলঙ্ক! হায়েনার চেয়েও হিংস্র! যতদিন এই বাংলাদেশ থাকবে , ততদিন ওরা ঘৃণিত হয়ে থাকবে এই বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে! কে কবে শুনেছে জেলখানায় বিনা বিচারে আবদ্ধ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করতে ! এ হত্যার কাহিনী হিটলারের নিষ্ঠুরতাকেও ছাড়িয়ে যায় ! আজ এইদিনে জাতীয় চার নেতা কে শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি।
লেখক
মোঃ মেহেদী হাসান
সাংগঠনিক সম্পাদক ,
কাঠালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ।









