বরগুনা ১ আসনের ৫ বারের এমপি এ্যাড ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বরগুনার সর্বস্তরের গণমানুষের নেতা। এলাকার প্রতিটি পরিবারের খবর রাখেন তিনি। ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু আদর্শে বড় হওয়া সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভুমিকা পালন করে আসছে। মোশতাক ও জিয়া সরকার থেকে শুরু করে সামরিক সরকার এরশাদ সরকারের রোষানলে পড়েছেন। জেল খেটেছেন। কিন্তু কখনোই বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার প্রশ্নে আপোস করেননি। তিনি কর্মের মাধ্যমে বেঁচে থাকতে চায়। রাজনীতিতে কর্মী তৈরি, এলাকার উন্নয়নে তার অবদান স্মরণ করার মত।
বরগুনা -বেতাগী আসন থেকে ১৯৯১ সালে প্রথমবার তিনি এমপি নির্বাচিত হয় তখন বি এন পি ক্ষমতায় আসে তখন ও তিনি তার কর্মের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করে ওই আসন থেকে আবার দ্বিতীয় বার বিপুল ভোটের ব্যবধানে ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের দুই মন্ত্রনালয়ে পর্যায়ক্রমে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী দায়িত্ব সুনামের সাথে পালন করেছেন।
পরবর্তীতে বরগুনা-আমতলী-তালতলী আসন থেকে আরো তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনগণের প্রিয় মানুষ হিসেবে সকলের কাছে সমাদৃত। তিনি গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের কাছে এক আস্থার প্রতীক। যেকোন মানুষ অনায়াসে তার সুবিধা অসুবিধার কথা বলার সুযোগ পায়।
আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামী লীগ-যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, এলাকাবাসীর অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হিসেবে এমপি শম্ভু কে পুনরায় আগামী সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। শম্ভু এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার উন্নয়ন ও স্থানীয় রাজনীতিকে যেভাবে সুসংগঠিত করে সাজিয়েছেন এবং নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন সেখানে ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর কোন বিকল্প নাই।
বরগুনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোঃ হোসেন মুরাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বরগুনায় এমপি শম্ভুর কোন বিকল্প নেই।
এ ব্যাপারে বরগুনা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রইসুল আলম রিপন বলেন, গণমানুষের আস্থাভাজন এমপি শম্ভু। পিতা মুজিবের আর্দশ বুকে লালন করে মুজিব কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বিশ্বস্ত অনুসারী হয়ে সাফল্যের পথে এগিয়ে চলছেন এমপি শম্ভু ।
আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, এমপি শম্ভু একজন পরিপুর্ণ আওয়ামী রাজনীতিবিদ ও আমাদের অভিভাবক। এই রাজনৈতিক নেতা দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের পেছনে ব্যয় করেন। স্থানীয় জনগণ তাকে সবসময়েই কাছে পায়। তাই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীগণ এমন একজন কর্মী ও জনবান্ধব নেতাকে পেতে চায়।
বরগুনা জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি রেজাউল কবির এ্যাটম বলেন,একজন যোগ্য নেতা হিসেবে জনগণের সাথে রয়েছে এমপির যথেষ্ঠ সম্পৃক্ততা। তিনি একজন ন্যায় বিচারক। মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তিনি সবসময়ই সোচ্চার ভুমিকা রেখে আসছেন। যে কারণে জেলা জুড়ে রয়েছে এমপির ব্যাপক জনপ্রিয়তা।
আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সহ-সভাপতি ও আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা বলেন, এমপি শম্ভু হলো গণমানুষের নেতা, তিনি আমতলী বাসীর নয়নের মনি, আমতলীর জনগন ঘুড়েফিরে শম্ভুকেই এমপি হিসেবে দেখতে চায়। একদম তৃণমূল থেকে কিভাবে দলকে সু-সংগঠিত রাখতে হয়। কিভাবে তৃণমূলের একজন নেতা-কর্মীর মন জয় করা যায় এসব গুণাবলী তার মধ্যে বিদ্যমান। এলাকাবাসী নেতা হিসেবে ঘুরেফিরে তাকেই সবসময় কাছে পায়। তাই তার প্রতি এলাকার সাধারণ জনগণের বড় রকমের একটা আস্থা তৈরী হয়েছে।
বরগুনা জেলা বাস মালিক সমিতির নির্বাহী সভাপতি নিজামুল আহসান নাজিম বলেন, এমপি শম্ভু দাদা হলো বরগুনার শান্তির প্রতীক। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল গণমানুষের আস্থাভাজন ও শান্তির প্রতীকের নামই ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু।










