জনতার খবর ডেস্কঃ মাছ বা হাঁসের খাদ্য হিসেবে শামুক ব্যবহার হওয়ায় পাবনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে জমজমাট শামুকের ব্যবসা। আর এই শামুক ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৪০০ ফরিয়া ব্যবসায়ীসহ জড়িয়ে পড়ছে ১০ সহস্রাধিক মানুষ।
প্রতিমাসে শুধুমাত্র এই অঞ্চল থেকেই ১ কোটি টাকার শামুক কেনা বেচা হয় বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার শামুক ব্যবসায়ীদের মহাজন আব্দুল মজিদ জানান, শামুকের আকারভেদে বস্তাপ্রতি ২৫০-৩৫০ টাকা দরে প্রতি মাসে এক থেকে দেড় লাখ টাকার শামুক কিনে থাকেন। বস্তাপ্রতি ২০-৩০ টাকা লাভে শামুক বিক্রি করে দেন। পাবনা থেকে পাঁচ মাসে অন্তত ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার শামুক সরবরাহ হয় বলেও তিনি জানান।
সাঁথিয়া উপজেলার গৌরিগ্রামের বাসিন্দা (ফরিয়া) নূর ইসলাম জানান, তিনি ১৮ বছর ধরে শামুকের ব্যবসার সাথে জড়িত। তিনি সাঁথিয়া উপজেলার বড় বিল, ছোট বিল, মটকা বিল এলাকার শামুক কেনেন। তার অধীনে ২০-২৫ জন শামুক কুড়ানি আছেন। তার মতো সব ফরিয়াই শামুক কুড়ানিদের ডিঙি নৌকা কিনে দিয়েছেন।
শামুক সংগ্রহকারী আব্দুল কাদের (৫৫) জানান, গড়ে প্রতিদিন ৪০০-৫০০ টাকার শামুক কুড়াতে পারেন। এ সময় তারা শামুক কুড়িয়ে কিছু অর্থ উপার্জন করেন।
পাবনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ জেলায় প্রচুর শামুক ঝিনুক হয়। সাধারণত এখন কেউ ঝিনুক কুড়ায় না। শামুক কুড়ানো হয়। এতে অনেক দরিদ্র মানুষ বর্ষার কয়েক মাস বাড়তি কিছু টাকা আয় করেন।












