মোঃ শাকিল আহমেদ, বামনা ( বরগুনা ) প্রতিনিধিঃ
‘এক পুরুষে রোপে তাল/ অন্য পুরুষি করে পাল। তারপর যে সে খাবে/ তিন পুরুষে ফল পাবে।’ খনার এ বচনটি মোটেই মিথ্যে নয়।’ তালগাছ পরিবেশ সংকটে প্রকৃতির এক অনন্য উপহার। জলবায়ু পরিবর্তনে একদিকে যেমন খরায় পুড়ছে মাটি, সংকটে পড়েছে মাটির নিচে থাকা পানিস্তর, বাড়ছে শৈত্যপ্রবাহ, বন্যা, ঝড়, জলোচ্ছ্বাসের মতো বজ্রপাতের দুর্যোগ। সব দুর্যোগ মোকাবেলা করে ঠায় এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে একমাত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সেই তালগাছ।
পাখিরা তা জানে, অথচ মানুষ জানে না। বাবুই বাসা বাঁধে তালগাছে, বাদুড় ঝোলে তালগাছে, শকুন ও ঈগল আশ্রয় নেয় তালগাছে। সারাদিন মাঠে চড়ে বেড়ানো ময়ূরও রাতে ঘুমায় তালগাছের মাথায়। টিয়াপাখি ডিম পাড়ে তালগাছের উপরে। এজন্য কোনো কোনো দেশে তালগাছকে মনে করা হয় শক্তির প্রতীক হিসেবে।
উপকূলীয় উপজেলা দুর্যোগপ্রবন এলাকা। সেই দুর্যোগপ্রবন এলাকা। বিষখালী নদী সংলগ্ন পর্যটন কেন্দ্র নীলিমা পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ও পরিবেশ রক্ষার জন্য বসুন্ধরা শুভ সঙ্ঘের উদ্যোগে তালে বীজ রোপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তালের বীজ রোপন উদ্বোধন করেন, শুভ সঙ্ঘের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. নূরুল ইসলাম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক কালের কণ্ঠের পাথরঘাটা প্রতিনিধি মির্জা শহিদুল ইসলাম খালেদ, পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড জাবির হোসেন, শুভ সঙ্ঘের সভাপতি সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী শিকদার, সাংবাদিক মুশফিক আরিফ, ইমাম হোসেন নাহিদ, অমল তালুকদার, জাকির হোসেন খান, সদস্য মাসুম আকন, নারী নেত্রী মুনিরা ইয়াসমিন খুশি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দুর্যোগ থেকে মুক্তি পেতে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় তাল গাছের বিকল্প নেই। এটি মাথায় রেখেই তালের বীজ রোপন করা হচ্ছে। এটার ধারাবাহিকতা থাকবে।










