ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
গতকালের লঞ্চ দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক আহত হয়েছেন। গুরতর ১৭জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আজ শনিবার সকালে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তদন্ত কমিটিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালের যুগ্ম সচিব তোফায়েল হাসান। ইতোমধ্যে ৩০টি লাশ বরগুনায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তাদের মধ্যে চার জনের পরিচয় মিলেছে। বরিশাল ও ঝালকাঠির ডুবুরি দল নদীতে নিখোঁজ হওয়া যাত্রীদের সকাল থেকে সন্ধান চালাচ্ছেন। শতশত স্বজনরা নদীর তীরে তাঁদের প্রিয়জনের লাশের অপেক্ষা করছেন।
কেউ আবার ট্রলার নিয়ে নদীর বিভিন্ন প্রান্তে খুঁজে বেড়াচ্ছেন প্রিয়জনকে। কারো হাতে নিখোঁজদের ছবি। তা নিয়ে নদী তীরের বাসিন্দাদের দেখাচ্ছেন, আর বিলাপ করছেন। অন্তত নিখোঁজ স্বজনদের মৃতদেহ যেন বাড়ি নিয়ে যেতে পারেন, সেই অপেক্ষায় আছেন স্বজনরা। সকাল ৮টা থেকে ঝালকাঠি ও বরিশালের ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল লঞ্চঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন।
নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে জাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল জানিয়েছেন ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া। নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম-সচিব তোফায়েল হাসানের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের তদন্ত দল সকাল সাড়ে ১০ টায় পুরে যাওয়া লঞ্চটি পরিদর্শন ও তদন্ত করেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন সাবেক নৌ পরিবহনমন্ত্রী মো. শাজাহান খান । এসময় তিনি বলেন এবিষয়ে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। এদের রির্পোট অনুযায়ে আমরা বুঝতে পারব দুর্ঘটনার আসল কারন। যারা এর জন্য দায়ি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।











