ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটি, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছেন জেলা প্রশাসক ফারাহ্্ গুল নিঝুম। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ফারাহ্্ গুল নিঝুমের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মঈনুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ডিডি এলজি ও মানব সম্পদ) জুয়েল রানা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) লতিফা জান্নাতি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মামুন শিবলী ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সাজিয়া আফরোজসহ জেলার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ডাঃ অসীম কুমার সাহা ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দুলাল সাহা, সাবেক সভাপতি এ্যাড. অমল কৃষ্ণ দাস ও সাংবাদিক অলক সাহা, রতন আচার্য্য, আল-আমিন তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
ঝালকাঠির বারোচালা সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী কাচারী বাড়ি খ্যাত সরকারি ভ‚মি অফিস সংস্কারের জন্য পার্শ্ববর্তী দেবত্তর সম্পত্তিতে নতুন করে ভ‚মি অফিস নির্মাণ করার পর কাজ শুরুর ১ মাস পরে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে আপত্তি তোলা হয় এবং আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়। সরকারিভাবে দাবী করা হয় তাদের এই জায়গাটি সরকারি খাস সম্পত্তি এবং সেখানে ভ‚মি অফিস নির্মাণে বাধা দেয়ার অভিযোগ এনে সরকারিভাবে পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়। ইতিপূর্বে সরকারের ভ‚মি অফিসে তাদের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছে। পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবর্গ ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়।
এই সমঝোতা অনুযায়ী কাচারী বাড়ি ভ‚মি অফিস ভেঙ্গে কালীবাড়ি মন্দির পরিচালনা কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং নির্ধারিত স্থানে ভ‚মি অফিস নির্মাণের মধ্য দিয়ে ও ঝালকাঠি পৌরসভার সাধারণ মানুষের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় ও নাগরিক সেবাদান অক্ষুন্ন রাখা হবে। ঝালকাঠি ২ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এই ভ‚মি অফিসের ভিত্তি ফলক উন্মোচন করেছিলেন। দুই পক্ষ সমঝোতায় আসার পরে হিন্দুদের মধ্য থেকে তথাকথিত অখ্যাত কয়েকজন বাদী হয়ে আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করে সমঝোতার মধ্যে পানি ঢেলে দেয়। জেলা প্রশাসক মতবিনিময় সভায় স্পষ্ট করেছেন তিনি দেবত্তরের কোন সম্পত্তিতে কোন অবকাঠামো নির্মাণ সমাপ্ত করবেন না এবং একই সাথে তিনি কাউকে সরকারি খাস জমি ভোগ সংরক্ষন করবেন।









