আতিকুর রহমান, ঝালকাঠিঃ-
ঝালকাঠি সদর উপজেলার সুগন্ধিয়ায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে ভূমি ও গৃহহীন ১৮৭ পরিবারের জন্য ঘর তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) অংছিং মারমা’র মাধ্যমে এ কাজের সার্বিক তদারকি করছেন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মোজাম্মেল হক জানান, ঘর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বৈদ্যুতিক সংযোগের জন্য খুটি ও লাইন স্থাপনের কাজ চলছে। বাসিন্দাদের সুপেয় পানির ব্যবস্থার জন্য প্রতি ১০ঘরে একটি করে ডিপটিউবয়েল বসানোর জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বাসিন্দাদের গবাদি পশু পালনের জন্য শেড নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ৯অক্টোবরের আগেই সব কাজ শেষ করা হবে বলেও জানান তিনি। উপজেলা পিআইও সূত্রে জানা যায়, এসব ভূমি ও ঘর উপকারভোগীদের নামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
বুঝিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম আগামী ৯আগস্ট বুধবার প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এদিকে অপেক্ষার প্রহর গুণছে প্রধানমন্ত্রী উপহার এসব পাকা ঘর পাবেন যেসব গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারগুলো। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানো মানুষগুলো জায়গাসহ নতুন ঘর পাবে এমন আনন্দে অনেকেই আত্মহারা। দ্রæত সময়ের মধ্যে ঘর নির্মাণ সম্পন্ন করার জন্য বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
“আশ্রয়নের অধিকার- শেখ হাসিনার উপহার এই ¯েøাগান নিয়ে আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিনয়কাঠি ইউনিয়নের সুগন্ধিয়া হাট সংলগ্ন ১৮৭টি ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। ঘরগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মোজাম্মেল হক। তিনি জানান, এই প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রতিটি ঘর নির্মাণ করা হবে। ৪শ বর্গফুটের প্রতিটি ঘরে রয়েছে দুটি বেড রুম, টয়লেট, রান্নাঘর ও সামনে একটি বারান্দা।
ঘর ও আশপাশের জমি মিলিয়ে দুই শতক জমি দেওয়া হবে ভূমিও গৃহহীন প্রতিটি পরিবারকে। টিনশেডের এই ঘরে একটি পরিবার স্বাচ্ছন্দে বসবাস করতে পারবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. মোজাম্মেল হক জানান, আমরা সরকারের খাস জমিতে ভূমি ও গৃহহীন হতদরিদ্রদের জন্য ৫ কোটি ১৪ লাখ ২৫হাজার টাকা ব্যয়ে ১৮৭টি ঘর নির্মাণ করছি। প্রতিটি ঘরের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। কাজের মান যেন ঠিক থাকে সেজন্য সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ঘর দেওয়ার জন্য উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রেও আমরা সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করেছি। যারা প্রকৃত ভূমিহীন তারাই এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। ইতিমধ্যেই তাদের ঘরের দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্বোধন হলে চাবিও হন্তান্তর করা হবে।










