জনতার খবর ডেস্ক:
পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্লাসের সংখ্যা বাড়বে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ১৭ মাস যেহেতু শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ছিল না, তাই চার ঘণ্টা, পাঁচ ঘণ্টা করে ক্লাস নেয়া হবে। তারপর ধীরে ধীরে ক্লাসের সময়সূচি স্বাভাবিক করা হবে। বাকি সব শ্রেণিতে একদিন করে ক্লাস হবে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সচিবালয়ে রোববার বিকালে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ করব। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জাতীয় পরামর্শক কমিটি আমরা সবাই যৌথভাবে এই পর্যবেক্ষণ কাজের মধ্যে থাকব। আমরা দেখব- কীভাবে আমরা এই পরিস্থিতিটা এগিয়ে যাচ্ছে।
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে।
এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্কুল-কলেজ খোলার জন্য আমরা আগেই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ সেপ্টেম্বরকে আমরা নির্ধারণ করেছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেও অ্যাসাইনমেন্ট প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘যারা ২০২১ সালে এসএসসি-এইচএসসি আর আগামী বছরের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী তারা প্রতিদিন ক্লাসে আসবে।’
তিনি বলেন, কারো বাড়িতে কারো মধ্যে যদি করোনাভাইরাস উপসর্গ থাকে তার ক্লাসে আসার দরকার নেই। আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অ্যাসেম্বলি হবে না।
যাদের বয়স ১২ বছর তাদেরকেও ভ্যাকসিনেশনের আওতায় নিয়ে আসতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, ‘টিকা প্রাপ্তি ও কারিগরি ব্যবস্থাপনা শেষ হলে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে। বেশিরভাগ শিক্ষকই টিকা নিয়েছেন। এছাড়া ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদেরও টিকার আওতায় আনা হবে।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণ সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, আগের ঘোষণা অনুযায়ী পরীক্ষা হবে। অর্থাৎ নভেম্বরের মাঝামাঝি এসএসসি এবং ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।












