ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠিতে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদ্যাপিত হচ্ছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস। এ উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন,বঙ্গবন্ধুর প্রতিতকৃতিতে মাল্যদান, আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত। শনিবার সকালে এ জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে টাউনহল দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলেচানা সভায় ভাচুয়ালী প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ১৪ দলের সমন্বায়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপি।
১৪ দলের মুখপাত্র ও ঝালকাঠি-২ আসনের এমপি আমির হোসেন আমু বলেছেন, জিয়াউর রহমান ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানী সেনাবাহিনীতে কাজ করে অস্ত্র খালাশের দায়িত্ব পালন করেছে। তাকে ধরে এনে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করানো হয়েছিলো। আজকে তাকে মুক্তিযুদ্ধিরে নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার অপচেষ্টা করছে বিএনপি ।
তিনি আরও বলেন, সকল অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
শনিবার সকালে ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভার্সুয়াল বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনো বিবিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তাই সকল নেতাকর্মীদের এক হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকলকে কাজ জন্য আহব্বান জানান।
আলোচনা সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম। অন্যদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, সহসভাপতি খান আরিফুর রহমান, সহসভাপতি সালাহউদ্দিন আহম্মেদ সালেক,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিবুল হক আকন্দ, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার,উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি,আবদুর রশিদ হাওলাদার,জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, ছাত্রলীগ সভাপতি আবদুল্লা আল মাসুদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন,সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণে নিরস্ত্র বাঙালি যুদ্ধে ঝাপিয়ে পরে ছিল স্বাধীনতার যুদ্ধে। বঙ্গবন্ধুর জন্য এদেশ স্বাধীন হয়েছে। আজ আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্য স্বাধীন সুখ শান্তিভোগ করতেছি। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ ও এর অংঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।










