বরিশাল প্রতিনিধিঃ
বরিশাল সিটি নির্বাচনের ভোট গ্রহনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ক্রমেই সামনে চলে আসছে। শুরুতে ফেসবুক লাইভে আওয়ামী লীগেরর মনোনিত প্রার্থী চাচা আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে নির্বাচনী কাজ করার ঘোষনা দেন ভাতিজা বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। তবে এ ঘোষনা ফেসবুকেই বহাল থাকে, অধ্যাবদি চাচার পক্ষে মাঠে দেখা যায়নি ভাতিজাকে ও ভাই বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপিকে।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগের পক্ষে আবুল খায়ের খোকন সেরনিয়াবাত মনোয়ন পাওয়ার আগ থেকেই ঢাকায় অবস্থান করছে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি ও তার ছেলে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। সেই সাথে তাদের কর্মী সর্মথকরাও মাঠ থেকে গুটিয়ে পড়ছে।
এদিকে পহেলা মে দিবসে চাচা-ভাতিজার দুই পক্ষে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির মাধ্যমে স্পষ্ট হয় চাচা ভাতিজা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভক্তি। বিভক্তি ছড়িয়ে যায় হামলা-মামলা এমনকি প্রেফতার পর্যন্ত।
গত ১৫ মে আওয়ামী লীগের সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীর কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে মারধর ও হত্যার হুমকির মামলায় কারাগারে গেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহŸায়ক এবং তার ১২ জন অনুসারী। ঐদিন বিকেলে বরিশালের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আল ফয়সালের কাছে আসামীদের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত আসামীদের রিমান্ড না মঞ্জুর করে আগামী রোববার শুনানির দিন ধার্য করে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। একইদিন রাতে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহŸায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ফলে নিজেদের বিরোধ ক্রমশই চাঙ্গা হচ্ছে। ঘটছে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনাও। আরো বাড়ছে বড় ধরণের দূর্ঘটনার শঙ্কা।
মেয়র প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রমের শুরু থেকে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সব পক্ষের অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে না। সাদিক আব্দুল্লাহর বাদ পড়া ও পরবর্তী ঘটনাক্রম নিয়ে যা জানা গেল আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতার কথাও স্বীকার করেছেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।
মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারীরা জানান, তাদের নেতারা একটি যৌথসভা করবেন। সভা থেকে দিক-নির্দেশনা পেলেই তারা সবাই মিলে সে অনুযায়ী কাজ করবেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে গোয়েন্দা সংস্থার এক সদস্য জানান, মেয়র সাদিক বরিশালে আসলে বড় ধরনের দূর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে। এমন প্রতিবেদন তারা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহŸায়ক শাহিন সিকদার বলেন, ‘যৌথসভার কথা বলে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। আমরা এজন্য নিজেরাই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে কার্যক্রম শুরু করেছি।’
মানুষ আর লাঞ্ছিত বঞ্চিত হবেনা \ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার মেয়র প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বরিশালের উন্নয়নের জন্য পাঠিয়েছেন। আসন্ন সিটি নির্বাচনে আমাকে মেয়র নির্বাচিত করা হলে নগর ভবন হবে নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত। নগরবাসীর কাঁধে যে অতিরিক্ত করের বোঝা চাঁপানো হয়েছে তা কমিয়ে আনা হবে। পাশাপাশি নগরবাসীর মতামতের ভিত্তিতে সুপরিকল্পিতভাবে নগরায়ণ করা হবে।
জাতীয় ফেডারেশন ও ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সাথে সোমবার রাতে নগরীর বগুড়া রোডস্থ ক্রাউন কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খোকন সেরনিয়াবাত আরও বলেন, নগরবাসীর সকল সমস্যা চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সবাইকে সাথে নিয়ে নতুন বরিশাল গড়ে তোলা হবে। যেখানে কোনধরনের ভেদাভেদ থাকবেনা।
জাতীয় ফেডারেশন ও ট্রেড ইউনিয়নের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, কথা দিলাম আমাকে মেয়র নির্বাচিত করা হলে বরিশালের মানুষ আর লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত হবেনা। উন্নয়নের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডকে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সবাইকে নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য তিনি আহবান করেন।
অ্যাডভোকেট কেবিএস আহমেদ কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করীম। বক্তব্য রাখেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আনিস উদ্দিন আহমেদ শরীফ, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মধু, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসএম জাকির হোসেন, শ্রমিক লীগের জেলা শাখার সভাপতি শাহজাহান হাওলাদার, বরিশাল নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আবুল কাসেম, দিইউসি’র সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মোল্লা, জাতীয় শ্রমিক জোটের আহবায়ক মোসলেম সিকদার প্রমূখ। একইদিন রাতে নৌকার প্রার্থী তার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে ১৪ দলীয় জোটের জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন।
মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত \ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়।
জানা গেছে, গত বছরের ২৩ জুলাই ৩২ সদস্য বিশিষ্ট বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন করেন ওই সময়ের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। কমিটিতে আহবায়ক করা হয়েছিল রইজ আহম্মেদ মান্নাকে।
সূত্রমতে, বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে নৌকার প্রচারে থাকা চারজন আওয়ামী লীগ কর্মীর ওপর হামলা চালিয়ে কুপিয়ে জখম ও দুই কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নগরীর কাউনিয়া থানায় মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইজ আহম্মেদ মান্নাসহ তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে রইজ আহম্মেদ মান্নাসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
সেলফি তুলে এসআই ক্লোজড \ গ্রেপ্তারকৃত মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইজ আহমেদ মান্না ও তার সহযোগিদের থানা হাজতে শুয়ে এবং ও বসে থাকার একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। পাশাপাশি মান্নাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় আরো একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ওই ছবিতে দেখা যায়, অভিযান পরিচালনাকারী কাউনিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) সাইদুল হক গ্রেপ্তারকৃত মান্নাকে গাড়িতে বসিয়ে হাসি দিয়ে সেলফি তুলেছেন। এ ঘটনায় কাউনিয়া থানার সেকেন্ড অফিসার সাইদুল হককে ক্লোজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, সেলফি তোলার ভাইরাল হওয়া ছবিটি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসার পর এসআই সাইদুল হককে ক্লোজড করা হয়েছে। পাশাপাশি থানা হাজতের ভাইরাল হওয়া ছবির ব্যাপারে তদন্ত চলছে।
গারদ খানার ছবি ভাইরাল \ আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থীর কর্মীদের পিস্তল ঠেকিয়ে হামলার অভিযোগে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইজ আহমেদ মান্না সহ তার সহযোগীদের গারদ খানার ভেতরে শুয়ে ও বসে থাকার সিসি ক্যামেরার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
থানা থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজের ছবি তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে কেউ অবগত ছিলেন কিনা জানতে চাইলে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, রাতে কাজের চাপের মধ্যেই ছিলাম আমি। তবে এখন যেহেতু খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাই কারও দুর্বলতা থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ সাইফুল ইসলাম (বিপিএম-বার)।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৬ কাউন্সিলর প্রার্থীকে জরিমানা \ আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে বরিশালে ছয় কাউন্সিলর প্রার্থীকে ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল থেকে কয়েক দফায় এ জরিমানা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা হলেন- এম রকিবুল হাসান, আবি আব্দুল্লাহ ও মঈন উদ্দিন আহমেদ। তাৎক্ষণিকভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানাপ্রাপ্ত কাউন্সিলরদের নাম প্রকাশ করেননি।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন উদ্দিন আহমেদ জানান, আগে থেকেই প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। তারপরও যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন তাদের জরিমানা করা হয়েছে।
কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ \ সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কেফায়েত হোসেন রনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করে চরম বিপাকে পরেছেন নির্যাতিতা এক যুবতী। মামলা প্রত্যাহারের জন্য মামলার বাদী নির্যাতিতা যুবতীকে অব্যাহতভাবে চাঁপ সৃষ্টি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে ভূক্তভোগী কোতয়ালী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন।
মঙ্গলবার সকালে ভূক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করে বলেন, নগরীর পলাশপুর এলাকার বাসিন্দা ও বিসিসির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কেফায়েত হোসেন রনি ও তার সহযোগি সাগরের অব্যাহত হুমকির মুখে আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি। তিনি আরও বলেন, কাউন্সিলর কেফায়েত হোসেন রনি কর্তৃক ধর্ষিত হয়ে আমি বিচার পাচ্ছিনা। আসামি রনি বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর আমি মামলা করে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি এর বিচার চাই। ওই যুবতী আরও বলেন, ২০২২ সালের ১৬ মে কাউন্সিলর রনির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর রনিকে নির্দোষ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর। এছাড়া ফেসবুক লাইভে এসে একইদাবি করেছিলেন সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ।
উৎপাদনমুখী শহর গড়ার অঙ্গীকার জাপা’র তাপসের \ সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল মার্কার মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস বলেছেন, নগরবাসী নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবে, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ ভোট হবে। সুতারাং সেখানে জনগনের অংশগ্রহন খুব জরুরী। জনগন ভোট কেন্দ্রে না আসলে আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারবো না। তিনি আরও বলেন, ভোট আদৌ নিরপেক্ষ হবে কিনা, জনগনের মধ্যে এমন একটি বিভ্রান্ত ও হতাশা রয়েছে। তাই সরকারের কাছে আমার অনুরোধ, সিটি করপোরেশনের ভোট যেন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও অবাধ হয়। এমনটা হলে জনগন যাকে ভোট দিবে আমরা তাকেই সাদরে মেনে নেবো। কর্মী-সমর্থকদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তাপস আরো বলেন, আমি নির্বাচিত হতে পারলে বরিশাল শহরকে একটি উৎপাদনমুখী তিলোত্তমা শহর হিসেবে গড়ে তুলবো। পাশাপাশি বরিশাল শহরকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করতে খালগুলো সংস্কার করার পাশাপাশি বর্ধিত এলাকায় উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়ে শহরের উন্নয়ন কাজ শুরু করবো।










