বরগুনা প্রতিনিধিঃ
বরগুনার বামনা উপজেলা সদরের পুর্ব সফিপুর গ্রামের তৈয়ব আলী শিকদারের ছেলে মোঃ জহিরুল ইসলাম (২৮) গভীর রাতে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট জহিরুল। এলাকাবাসী ও বাড়ির লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, বোনদের সাথে অভিমান করে ফাঁস দিয়েছে, গতকাল ঢাকা যাওয়ার কথা বলে সে ঢাকায় চলে গেছে এবং পথিমধ্যে সে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে বলে বোনদের কাছে ফোন দেয় এবং তাদের কাছে টাকা চাইলে বোনরা তার মোবাইলে এক হাজার টাকা পাঠায়।
তার কিছু সময় পরে জানতে পারে আসলে সে ঢাকা যায়নি দুষ্টামি করে বোনদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা নিয়েছে। দুপুরে বাসায় খাবার খেতে আসলে জহিরুলকে বোনরা জিজ্ঞেস করে কেন ? এমন কাজ তুমি করলে আর এতেই রাগ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।
পরে রাতে আর বাসায় ফেরেনি। গভীর রাতে তার মা ও বোনরা মোবাইলে কল দিলে তার ফোন বন্ধ পায়।
তার বাবা তৈয়ব আলী শিকদার চিকিৎসার জন্য গতকাল বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায় এদিকে রাতেই তার ছেলের এমন রহস্যজন মৃত্যু। এলাকাবাসী ও আশ পাশের লোক জনের বাড়িতে ফোন করে রাতে কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি। এরপর ভোরবেলা একই বাড়ির কৃষক আব্দুস শহীদ শিকদার কৃষি কাজের জন্য ঘর থেকে বের হলে বাড়ির পিছনে আম গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলতে থাকা অবস্থায় দেখতে পায় জহিরুলকে।
তখনই তার ডাক চিৎকারে বাড়ির ও আশেপাশের লোকজন একত্রিত হয় এবং থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মৃত অবস্থায় জহিরুল কে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ মাইনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে সাথে সাথে পুলিশ পাঠিয়েছি তারা লাশ উদ্ধার করেছে মৃতের মা ও বোন একটি অপমৃত্যুর জন্য থানায় অভিযোগ করেছে। অপমৃত্যুর মামলা রুজুসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে ।










