ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠিতে গতকাল শনিবার ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১৭জন নিহত হওয়ার পরে আহতদের মধ্যে আর কোন মৃত্যু হয়নি।
দুর্ঘটনার পরে হাসপাতালে আনা মৃতদেহ সুরত হাল করে নিজ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ এবং তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ঝালকাঠি থানায় কোন মামলা হয়নি; তবে নিহত যাত্রীদের পক্ষে কেহ মামলা না করলে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের হবে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহম্মদ আফরুজুল হক টুটুল। আহতদের মধ্যে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে রাজাপুরের পুটিয়াখালী গ্রামের আব্দুল জলিল(৬০) ও তার স্ত্রী মিনারা বেগম(৪৫) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যরা বরিশাল, কাঠালিয়া ও রাজাপুর নিজ নিজ এলকায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ভর্তি রয়েছে।
এই ঘটনায় জেলা প্রশাসক কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুন শিবলী তদন্ত কাজ শুরু করেছেন এবং আহত যাত্রি যে সকল উপজেলা সদরের হাসপাতালগুলোতে রয়েছে তাদের নিকট গিয়ে ঘটনা সম্পর্কে তথ্য নিচ্ছেন। সংশ্লিষ্ঠ এলকার কিছু সচেতন মানুষ দাবী করেছেন ঘটনার পর পর সেখানে যে সকল সক্ষম শত শত মানুষ উদ্ধার কাজে তাৎক্ষনিক ভাবে না নেমে সোশাল মিডিয়া ভিডিও প্রচার ও ভিউ পাওয়াল আশার লাইভ প্রচার করতে ব্যাস্ত ছিলো। সোশাল মিডিয়ার লাভের আশায় সামাজিক দায়বদ্ধতা ভুলে গিয়েছে বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন। মূলত ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও কিছু মানবতা সম্পন্ন যুবকরা উদ্ধার কাজে এসেছিল।
হাসপাতালে চিকিৎসাধিন আব্দুল জলিল জানান তিনি ড্রাইভারের পিছনের ২য় সারির সিটের সাথে দাড়ানো ছিল। তিনি চালকে ঘটনাকালিন সময় মোবাইলে কথা বলতে দেকেছেন। চালকের পিছনের সিটে যাত্রীর স্ত্রী মিনারা বেগম বসা ছিলেন। ঘটনার পর সে চালককে জানালা ভেঙে বের হতে দেখেছেন এবং সাথে সাথে যাত্রী জলিলের স্ত্রী মিনারা বেগম চালককে অনুসরন করে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। তবে জলিলকে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছ। সে ডুবন্ত অবস্থায় বাসের সাথে নাক জাগিয়ে শ^াস নিচ্ছিল।
ফায়ার সার্ভিস বাসের বড়ি কিছু অংশ কেটে উদ্ধার করার পথ তৈরী করেছিল। তবে, বাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে চালক নিখোঁজ রয়েছে, পুলিশ তাকে খুঁজছে। আব্দুল জলিল অফসনিন কোম্পানির কর্মচারি সাপ্তাহিক ছুটি কাটিয়ে স্ব-স্ত্রীক কর্মস্থলে ফিরছিল।










