ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠিতে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় পড়ে শিশুসহ ১৭জন নিহত, আহত হয়েছেন ২৫ জন।
আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পরে গাড়ীটি রাস্তায় তুলে আনা হয়েছে। এ সময় ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া সড়কে দীঘ যানজটের সৃস্টি হয়। বরিশাল-ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া সড়কের ছত্রকান্দা নামক স্থানে এ দুঘটনা ঘটে। আজ ২২ জুলাই শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাসটি ভান্ডারিয়া থেকে বরিশালে যাচ্ছিলো।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভান্ডারিয়া থেকে অর্ধ শতাধিক যাত্রী নিয়ে বরিশালের দিকে যাচ্ছিলো একটি যাত্রীবাহী বাস বাসার স্মৃতি পরিবহন, ঢাকা মেট্রো-ব-১৪৬৫৪৯। বাসটিতে ৬০-৭০ জন যাত্রী ছিলো। পথিমধ্যে সদর উপজেলার ছত্রকান্দা এলাকায় পৌছলে ধানশিরি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনের মোড় ঘুরতেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে যায়। স্থানীয়রা দৌড়াদৌড়ি করে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়।
ইতিমধ্যে ফায়ারসার্ভিসের দুটি ইউনিট, র্যাব ও পুলিশ আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পরে গাড়ীটি রাস্তায় তুলে আনেন। এ সময় ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া সড়কে দীঘ যানজটের সৃস্টি হয়। ২৫জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হলেও এরমধ্যে ১৭জনযাত্রী নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৭ জন নারী, ৭ পুরুষ ও ৩টি শিশু রয়েছে।
নিহতদের পরিচয় এখনও জানা যায় নি। নিহত ও আহতদের অধিংশাদের ঝালকাঠি হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আশংকা জনকদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার জানান, যাত্রীবাহী বাসটি উল্টে পুকুরে পড়ে গেলে এখন পর্যন্ত মৃত ১৭জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। আহত আরো কয়েকজনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যেও মুমুর্ষ কয়েকজনকে দেখা গেছে।
দুঘটনায় ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকার্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা ও দুঃখ প্রকাশ করছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র, সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু।
এ ব্যাপারে শোক জানিয়েছেন, ঝালকাঠি-২আসনের সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন এমপি।










