বরিশাল প্রতিনিধিঃ
আধাপাকা বোরো ধান আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ৮০ ভাগ পাকার পর শুধু ঘরের তোলার অপেক্ষা। ঠিক শেষসময়ে গত কয়েকদিন থেকে জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ও বাটাজোর ইউনিয়নের বোরো বøকে বøাষ্ট ও ছত্রাকের আক্রমন দেখা দিয়েছে।
কৃষি অফিসারদের পরামর্শে জমিতে কীটনাশক ছিটিয়েও থামানো যাচ্ছেনা ছত্রাকের আক্রমন। ফলে দিশেহারা হয়ে পরেছেন চাষীরা। মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, পাকা ও আধা পাকা ধানে ভরে উঠেছে কৃষকের বোরো ক্ষেতগুলো। ঈদের পর পরই কৃষকদের কস্টার্জিত বোরো ধান জমি থেকে বাড়িতে উঠানো হতো। এরইমধ্যে হঠাত করে আধা পাকা ধানের জমিতে বøাষ্ট ও ছত্রাকের আক্রমন দেখা দিয়েছে। যেকারণে কৃষকের স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গেছে। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিআর-২৮ ও ২৯ জাতের ধানে গত বছরের ন্যায় এবছরও বøাষ্টের আক্রমন হওয়ায় ফলন বিপর্যয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
মাহিলাড়া-বাটাজোর বোরো বøকের সুপারভাইজার (ম্যানেজার) জামাল সরদার জানান, বøকটির অধিকাংশ জমি পতিত ছিলো। কৃষি অফিসের পরামর্শে এ বছর বøকটির ৫০ একরের অধিক পরিমাণ জমি বোরো চাষের আওতায় আনা হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনার বীজ পেয়ে বোরো আবাদ করেছিলেন চাষীরা। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ধান কাটা শুরু হতো। কিন্তু ক্ষেতের পাকা-আধা পাকা ধানে গত চারদিন ধরে ছত্রাক ছড়িয়ে পরছে। ফারুক সরদার ও রবিন নামের দুইজন কৃষকের ক্ষেতে সর্বপ্রথম ছত্রাকটি আক্রমন করে। তারা প্রণোদনার ব্রি-হাইব্রিড-৫ জাতের ধান রোপন করেছিলেন। বর্তমানে অন্যান্য ক্ষেতেও ছত্রাকের আক্রমন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে বøকের ২৫ একর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বিষয়টি আমাকে অবহিত করেছে। আক্রান্ত ক্ষেতগুলোতে ছত্রাকনাশক ব্যবহারের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।










