খেলা ডেস্কঃ দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতলো ইংল্যান্ড। সুযোগ ছিল পাকিস্তানের সামনেও। কিন্তু উত্তাপহীন ফাইনালে হাসেনি পাকিস্তানিদের ব্যাট। সব মিলিয়ে ১৩৭ রান তুলেছিল বাবর আজমের দল। জবাবে ১ ওভার হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয়ে উল্লাসে মাতে বেন স্টোকসরা।

এ যেন ১৯৯২ বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের প্রতিশোধ নিলো ইংলিশরা। সেবার ইমরান খানের কাছে শিরোপা খুইয়েছিল ইংল্যান্ড। এবারও এমন পূর্বাভাস দিয়েছিলেন অনেকে। কিন্তু সব পূর্বাভাস সরিয়ে বেন স্টোকসের হার না মানা ফিফটিতে ২০১০ সালের পর আরেকবার কুড়ি-বিশের সংক্ষিপ্ততম এই বিশ্ব আসরের শিরোপা উঁচিয়ে ধরলো ইংলিশবাহিনী।
রবিবারের ছুটির দিনে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে পারেনি বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৮ উইকেটে ১৩৭ রান তোলে।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২৮ বলে ৩৮ রান করেন শান মাসুদ। ২৮ বলে মাত্র ৩২ রান করে ফেরেন অধিনায়ক বাবর আজম। ১৪ বলে ২০ রান করেন শাদাব খান।
১৩৮ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফের গতির মুখে পড়ে ৪৫ রানেই ৩ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তবে হ্যারি ব্রুক আর মঈন আলীকে নিয়ে দেখেশুনে শিরোপা জয়ের পথ পাড়ি দিয়েছেন বেন স্টোকস। দলের জয়ে ৪৯ বলে অপরাজিত ৫২ রান করেন স্টোকস।
শিরোপা হারানোর দিনে চোটে পড়ে মাঠ ছাড়েন পাক পেসার শাহিন আফ্রিদি। ১৩তম ওভারে শাদাব খানের বলে লংঅফে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে শাহিন আফ্রিদির হাতে ক্যাচ তুলে দেন ব্রুক। বলটি তালুবন্দি করতে গিয়ে দুই হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন আফ্রিদি। তখনই চোটাক্রান্ত হন তিনি। পরে তাকে খোঁড়াতে খোঁড়াতে মাঠ ছাড়তে দেখা যায়। এই চোট নিয়ে ফের মাঠে নেমে বোলিং করতে গিয়ে ওভার শেষ করতে পারেননি আফ্রিদি। চোট নিয়ে ফের মাঠ ছাড়েন।
৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেওয়া স্যাম কারান ম্যান অব দ্য ফাইনালের পুরস্কার ঝুলিতে নেন। সেই সঙ্গে টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটারও নির্বাচিত হন কারান।












