খেলা ডেস্কঃ সাম্প্রতিক সময়ে মুশফিকুর রহিমের সুইপ আর স্কুপ খেলার প্রবণতা নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। ডারবান টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অর্ধশতকের পরপরই সুইপ করতে গিয়ে মুশফিক আউট হলে গোটা দল বিপাকে পড়ে যায়। সেই মুশফিক চট্টগ্রাম টেস্টে ছিলেন অনেক সংযমী, ধৈর্যশীল। ফলে পেয়েছেন ক্যারিয়ারের টেস্টে ৮ম শতকের দেখা।

দিও শেষপর্যন্ত সুইপ খেলার লোভই সাজঘরে ফিরিয়েছে তাকে। ১৮ ইনিংস পর শতকের দেখা পেতে মুশফিককে মোকাবেলা করতে হয় ২৭০ বল। পুরো ইনিংসে ছিল মাত্র ৪টি চার। শতক হাঁকানোর পর দ্রুত রান তোলার সুযোগ ছিল মুশফিকের, তাতে হয়ত কাঙ্ক্ষিত লিডের দেখা পেত টাইগাররা। তবে ঠিক তখন লাসিথ এম্বুলদেনিয়ার নিরীহ এক বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। বিদায়ের আগে ২৮২ বলে ১০৫ রান করেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল।
দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুশফিককে রিভার্স সুইপ খেলার প্রবণতা ও ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এ সময় মুশফিক তার দুটি ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংস দেখার আমন্ত্রণ জানান, তার দাবি অনুযায়ী যা রিভার্স সুপ শটে ভরপুর ছিল।
মুশফিক বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম প্রথম প্রশ্নই এটা হবে যে সুইপ শট খেলে আউট হয়ে গেলেন। উইকেট কেমন এর ওপর নির্ভর করে। এটা অনেক ভালো, ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেট। এখানে থিতু হলে অন্যান্য শট খেলা যায়, সোজা ব্যাটে খেলা যায়। আরেকটা জিনিস- আমি কিন্তু রিভার্স সুইপ খেলে দুইটা ডাবল সেঞ্চুরিও করেছি। এটা আমি একটু বলে রাখতে চাই। শুধু একটা না, দুইটা ডাবল সেঞ্চুরি। যাদের কাছে ভিডিও আছে দেখলে বুঝতে পারবেন। প্রতি ইনিংসে ৩-৪টা রিভার্স সুইপ আছে।’ মুশফিক আরও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও তিনি রিভার্স সুইপ খেলার প্রবণতা থেকে বের হবেন না। তিনি বলেন, ‘এটা অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ শট। কিন্তু আমি ভবিষ্যতেও এটা খেলতে ভয় পাব না।’












