জনতার খবর ডেস্কঃ দ্রব্যমুল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে নবগঠিত গণতন্ত্র মঞ্চ। ১১ আগস্ট রাজধানীতে এই কর্মসূচি পালন করবে সাত দলের সমন্বয়ে গঠিত এই মঞ্চ। আনুষ্ঠানিক মঞ্চ ঘোষণার পর সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এটাই তাদের প্রথম কর্মসূচি।
৮ আগস্ট সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে গণতন্ত্র মঞ্চের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
মঞ্চে থাকা সাত দল হলো- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম সংগঠক জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রব বলেন, জনগণের মুক্তি সংগ্রামের কাফেলা হবে গণতন্ত্র মঞ্চ। দেশের প্রতিটি থানায় ওয়ার্ডে গণতন্ত্র মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে। জনগণ উত্তেজিত। সরকার পালাবার পথ পাবে না। গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করবে।
লিখিত বক্তব্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিদ্যমান ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোন অবকাশ নেই। সরকার তামাশার এক তরফা নির্বাচনের ছক তৈরি করছে। এমতাবস্থায় জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত ও অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। সংসদ বিলুপ্ত করতে হবে, রাজনৈতিক ঐক্যমতের ভিত্তিতে গঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
তিনি বলেন, অন্তবর্তী সরকারের কাজ হবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করবে, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক রদবদল করবে। ইভিএম বাতিল করে স্বচ্ছ ব্যালটে নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।
মান্না বলেন, জনগণের রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলে দেশে এক নতুন সংগ্রামের সুচনা করতে চাই। রাজপথে যুগপৎ ধারায় জনগণের বৃহত্তর কার্যকর ঐক্য গড়ে তুলতে চাই, যাতে বর্তমান সরকার ও বিদ্যমান শাসন ব্যবস্থা বদলাতে জনগণের মধ্যে ব্যাপক উত্থান ঘটানো সম্ভব হয়।
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতার সংস্কার করতে হবে। শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন চায় গনতন্ত্র মঞ্চ।
তিনি বলেন, সরকারের চেতনা এখন ইভিএম। ২০১৪ এবং ২০১৮ এর মতো খেলা আর এদেশে খেলতে দেয়া হবে না। রাজপথে যুগপৎ আন্দোলনকে জোরদার করতে বিরোধী সব দলের সঙ্গে আলোচনা করবে গণতন্ত্র মঞ্চ।












