জনতার খবর ডেস্কঃ ধন-সম্পদ কিছুই কবরে নিতে পারবেন না, মরলে তো সবই রেখে যাবেন। তাই সম্পদের পিছনে না ছুটে মানুষের জন্য কাজ করুন। ২৬ এপ্রিল মঙ্গলবার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ঈদের উপহার হিসেবে ৩৩ হাজার পরিবারের মধ্যে ঘর বিতরন অনুষ্ঠানে ভার্চূয়ালি যুক্ত হয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দ্যেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, মহামারী করোনা ভাইরাস আমাদের অনেক কিছু শিক্ষা দিয়েছে। কোটি কোটি টাকা ওয়ালাও তো কিছু করতে পারে নি, কোনো কাজে আসেনি। দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একজন মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা জাতির পিতার আদর্শে চলবেন, সব সময় গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মত বড় পাওয়া জীবনে আর কিছু হতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জাতির পিতার স্বপ্নে দেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, আমার বাবা সবসময় বলতেন, ‘আমার দেশের প্রতিটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে, এই হচ্ছে আমার স্বপ্ন।’ জাতির পিতা স্বাধীনতার পর দেশের ভূমিহীন-গৃহহীন, ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেন। তিনি সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদে দেশের প্রতিটি নাগরিকের বাসস্থান পাওয়ার অধিকারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে গেছেন।
২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারী, ৬৩,৯৯৯টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার প্রথম ধাপের অধীনে ঘর পেয়েছিল এবং ৫৩,৩৩০টি পরিবার। গত বছরের ২০ জুন আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে তাদের মাথার উপর একটি ছাদ পেয়েছে।
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় ধাপের আওতায় সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে আরও ৬৫,৬৭৪টি ঘর বিতরণের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর মধ্যে, প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই আজ ৩২,৯০৪টি বাড়ি হস্তান্তর করেছেন। সারা দেশের ৪৯২টি উপজেলায় এসব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান গনভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন।












