ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাাঠি সদর হাসপাতালে মাসাধিককাল ধরে এক্স-রে ফ্লিম না থাকায় হাসপাতালে স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা রোগিরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
এ কারণে উচ্চ মূল্যে বেসরকারি ডায়াগনোস্টিক সেন্টার থেকে সেবা নিতে হচ্ছে। ঝালকাঠি সদর হাসপতালে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মূল্যান এক্স-রে মেশিনটি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকলে মেশিনটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবী ডাক্তারদের । সদর হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক উদ্যোগ নিলেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
সরকারের ফিøম কেনার নির্ধারিত রেট ১৬৪টাকা অথচ ঠিকাদাদের কাছ থেকে ২৫৫টাকা করে ফ্লিম কিনতে হচ্ছে। উন্মুক্ত বাজারে ফ্লিমের দাম ১২০-১৩০টাকা হাসপাতালের ক্রয় কমিটি ঠিকাদারের কাছ থেকে এই উচ্চ মুল্যে সরকারের টাকা অপচয় করে ফ্লিম কেনার পক্ষে নয়।
সূত্রমতে, তত্ত¡াবধায়ক পদবীর ক্ষমতাবলে ৩লক্ষ টাকার কোটেশন দিয়ে উন্মুক্ত বাজার থেকে সরকারে ব্যায় সাশ্রয় করে ফ্লিম কিনতে পারেন এই কর্মকর্তা। এই ধরণের পরিস্থিতিতে বাহির থেকেও কেনার এই বিধান রয়েছে। প্রতিটি এক্স-রের জন্য সরকারি হাসপাতাল রোগিদের কাছ থেকে ২০০ টাকা হারে ফি নিয়ে থাকেন। উন্মুক্ত বাজার দিয়ে এক্স-রে ফ্লিম কেনা হলে প্রতিটি ফ্লিম থেকে ৭০ টকা হারে লাভ হয় এবং বছরে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকা হাসপাতালে এক্সরে থেকে লাভ হতে পারে।










