ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উম্মে সালমার উপর হামলা ও লাঞ্চিত করার অভিযোগে রিটার্নিং অফিসার ও সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের বাজার হরিসভা মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান কালে উম্মে সালমার উপরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে জানাগেছে। গতকাল ২৭ এপ্রিল দায়েরকৃত অভিযোগে অপর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান সোনালীর গাড়ী চালক মাহাবুব, ভগ্নিপতি জামাল হোসেন অজ্ঞাত ১৫/২০জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৬ এপ্রিল শুক্রবার রাতে কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের বাজার হরিসভা মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে চলমান উপজেলা নির্বাচনের বেশ কয়েকজন প্রার্থী অংশ গ্রহন করেন। অনুষ্ঠানে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাত জাহান সোনালী বক্তব্য দেয়ার পর প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী উম্মে সালমা বক্তব্য রাখতে শুরু করেন। বক্তব্যের মধ্যেই সোনালীর গাড়ী চালক মাহাবুব ও ভগ্নিপতি জামাল হোসেনসহ তাদের দলীয় ১৫/২০জন স্বন্ত্রাসী অকথ্য গালাগাল করতে করতে উম্মে সালমার উপর হামলা চালায় ও শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করে।
উপস্থিত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ছুটে এসে উম্মে সালমাকে রক্ষা করে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়। এছাড়াও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহনের পর থেকেই ইসরাত জাহান সোনালী ও তার লোকজন উম্মে সালমাকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের জন্য নানাভাবে হুমকি-ধূমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী উম্মে সালমা জানান, আমি বক্তব্য দেয়ার সময় বাবা বা অন্যকারো পরিচয় নয়, আমি নিজের পরিচয়ে কাজ করতে চাই। আমার বাবা একজন ডিসি ম্যাজিষ্ট্রেট হতে পারে, কিন্তু জনগন মূল্যায়ন করবে আমার যোগ্যতায়। এ কথা শেষ হতে না হতেই সোনালী আপার ভগ্নিপতিসহ ১৫/২০জন আমার উপর হামলা চালায়। উক্ত স্বন্ত্রাসীদের কারনে আমি স্বভাবিক ভাবে ও নিরাপদে প্রচার প্রচারনায় অংশ নিতে পারছিনা।
এ ব্যাপারে ইসরাত জাহান সোনালীর ভগ্নিপতি জামাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা কীর্ত্তিপাশা গিয়েছিলাম লিফলেট বিতরনের জন্য তার সাথে আমাদের কোন ঝগড়া হয়নি। স্থানীয় এক মহিলার সাথে তার ঝগড়া হয়েছে বলে আমরা শুনেছি।










