কাঠালিয়া প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার দক্ষিণ চেঁচরী গ্রামের সত্ব্যেন সমাদ্দারে খামারে আগুন লেগে ০৮টি গরু ও ১২টি ছাগলসহ বেশকিছু হাসঁ-মুরগী পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে।
আজ সোমবার সকালে প্রতিবেশীরা সত্ব্যেন সমাদ্দারের খামারে আগুন জ্বলতে দেখেতে পান। প্রথমে তারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলোও ততক্ষণে খামারটি থাকা সকল গবাদি পশু ও পাখি পুড়ে মারা যায়। এতে ০৮টি গরু ও ১২টি ছাগলসহ বেশ কিছু হাসঁ-মুরগী, গবাদি পশুর খাবার ও খামার ঘরটি মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যায়। ফলে পরিবারটি একেবারে নিঃশ্ব হয়ে যায়।
খামারটিতে পুড়ে যাওয়া গাবাদি পশু গুলো আসন্ন কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিলো।
খামারের মালিক সত্ব্যেন সমদ্দার জানান, আমার বাড়ী থেকে খামারটি একটু দূরে রাস্তার পাশে। রাত ১ টার দিকে মশা তারানোর জন্য খামারে কয়েলা জ্বালিয়ে রেখে যাই। হয়তো শেষ রাতের দিকে এই কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। কৃষক হিসেবে আমি সর্বশান্ত হয়ে গেছি। আমার বিশ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
কাঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ সিদ্দিকুর রহমান জানান, সকালে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তবে ঘূর্ণিঝড়ে রাস্তার উপর গাছ পরে থাকায় গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করে গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌছাতে বিলম্ব হয়। পরে এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্তণে আসে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানান, দুর্ঘটনা কবলিত এলাকায় আমরা গিয়েছি, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে সহযোগিতা করা হবে।
কাঠালিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাসির উদ্দিন সরকার, তিনি জানান, ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছি, দুর্ঘটনায় আমরা মর্মাহত। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির ১২ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে। খামারটি লোকালয় থেকে দূরে ও আশে পাশে লোকজন না থাকায় ক্ষয়-ক্ষতি বেশি হয়েছে।
ঘটনাস্থান পরিদর্শন করেছেন কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নেছার উদ্দিন, তিনি ঘটনাটি মর্মান্তিক বর্নানা করে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন।










