মোঃ শাকিল আহমেদ, বামনা( বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কে সামনে রেখে বরগুনার বেতাগীতে চলছে প্রচার প্রচারনা। উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রচারনা চালাচ্ছেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি প্রফেসর ড.আবুল হোসেন সিকদারের কনিষ্ঠ সন্তান ও বরগুনা জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান এবং মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নাহিদ মাহমুদ হোসেন লিটু।
তিনি দৈনিক ” সাগরকূল ” র সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের ভিবিন্ন চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি বর্তমানে, বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য। এছারাও বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন বরগুনা জেলা শাখার উপদেষ্টা এবং ঢাকার উওরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য।
লিটু তার রাজনৈতিক আদর্শ দিয়ে তার বাবার স্বপ্ন গুলোকে বাস্তবায়নে শত ভাগ আশাবাদী, পাশাপাশি যখন জেলা পরিষদ সদস্য ছিলেন এসময় মানুষ আমাকে শিকদারের ছেলে বলেই বেশি চিনতো। এরপর যখন আমি জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হই তখন থেকে সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে মানুষের পাশে দারিয়েছি, এবং ৫ বছর জেলা পরিষদের সদস্য থাকাকালিন সময় কোন সম্মানি নিই নাই, পাশাপাশি আমার ব্যাক্তিগত অর্থ দিয়েও জনগনের সেবা করেছি। তবে জনগন এখন আমাকে আলাদা করে লিটু ভাই হিসাবে পরিচিতি করে তুলেছে।একথা বলেন।
এবারে নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকায় নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলক হবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা তিনি জনগণেরর ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য এ উদ্যোগ নিয়েছেন। আমি মনে করি দেশের জনগন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চিন্তাধারা বিবেচনা করে ভোট কেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন।বলে তিনি জানান।
তিনি আরো বলেন বেতাগী উপজেলায় যে সকল প্রার্থী হয়েছেন তারা সবাই আমার অনেক সিনিয়ার এবং আমার বাবার সহযোদ্ধা।তাদের নিয়ে আমি কোন বিরূপ মন্তব্য করবো না। যারা নির্বাচন করবেন তারা সবাই জনপ্রতিনিধি ছিলেন, এমনকি আমি ও ছিলাম তাই জনপ্রতিনিধি থাকাকালীন সময়ে কে কি কাজ করেছেন তা জনগনই মূল্যায়ন করবেন। আমি আশাবাদী সেই মূল্যয়নে সকলের চেয়ে আমি আগানো রয়েছি।
আবার এমনও রয়েছে অনেক প্রার্থী শুধু প্রচার প্রচারনা করেন শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন না, কিন্তু আমরা আবুল হোসেন সিকদার এর সন্তান সেই হিসাবে আমার বাবা এবং আমরা কখনও নির্বাচন থেকে পিছু হটি নি।আপনারা জানেন, বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমার উপর অনেক চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু আমি নির্বাচন করেছি এবং আশানুরূপ সাফল্য পেয়েছি।
আমি বেতাগী উপজেলাকে জবাবদিহিতায় আওতায় নিয়া আসবো, আপনারা দেখবেন যে, বেতাগী এমন কালচার সৃষ্টি হইছে যে, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে আপনি জবাবাদিহিতার উর্ধে।প্রথমত আমি এই কালচার ভেঙে জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতায় আওতায় নিয়া আসবো। আমি মনে করি সকল কাজে সচ্ছতা ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করবো। সে জন্য আমি জনগণের ভোটের আশাবাদী।
আপনারা আরেক টা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন, আমাদের এখানে সবাই ফেরেশতা কেন? কারন কোন সাংবাদিক কারো বিরুদ্ধে কিছু লেখে না কারন ওরা ভয় পায়। কোন সাংবাদিক সত্যি কথা লিখলে কালকে কলার ধরবে, লাঞ্চিত করবে। আমি সমাজের এই জায়গাটাকে পরিষ্কার করতে চাই। কারন সাংবাদিক হলো সমাজের দর্পন। আমি নিশ্চিত যে জনগণ আমার সততা এবং নিষ্ঠাবানের কারনে আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে।










