হিন্দু পারিবারিক বিবাহ, কোন আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। এই বিবাহ বন্ধন আত্মায় আত্মায় শরীরে শরীরে মজ্জায় মজ্জায় অস্থিতে অস্থিতে হৃদয়ে হৃদয়ে শোনিতে শোনিতে,অগ্নি সূর্য জল বায়ু আকাশ মাটিকে সাক্ষী রেখে হিন্দু বিবাহ সুসম্পন্ন হয়ে আসছে।যা হাজার হাজার বছর ধরে বহমান।
আপনারা লক্ষ করে দেখুন হিন্দুদের মধ্যে এই হিন্দু আইন করে দিতে পারলেই তো ভাঙ্গন ধরানো যাবে।ধরেন আমার সম্পদ বলতে আছে শহরে একটি ফ্ল্যাট, আর আমার সন্তান ৫জন দুই ছেলে ৩ মেয়ে,তাদের বিয়ে দিলাম মেয়েদের আমার সম্পদ ভাগ করে দিলাম, মেয়েরা সম্পদ বিক্রি করে টাকা নিবে,দুই ভাইয়ের সামর্থ্য নেই সম্পদ কিনে রাখার।কিভাবে মেয়েরা বিক্রি করবে?তখন সিদ্ধান্ত হবে সকলে মিলে ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিই।আর এভাবেই নিঃশেষ হবে হিন্দু। যদি তাহা কেউ আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করেন তবে বুঝব আপনারা হিন্দু শূন্য করার অপকৌশল হাতে নিয়েছেন। ইনি এরোমা দত্ত।
হিন্দু আইন পরিবর্তন প্রচেষ্টার বলিষ্ঠ নেত্রী, স্বামী মুসলিম, নাম অধ্যাপক মাহবুব আহমেদ। এক কন্যা সন্তানের জন্মের পর তাকে ছেড়ে বিয়ে করেন আরেক জনকে। সে বিয়েও টেকেনি। এই আধুনিক যুগেও কোন হিন্দু মেয়ে মুসলমান বিয়ে করলে তাকে ঘরে তোলা দূরে থাক, তার পরিচয়ই মুছে ফেলেন। ব্যক্তি জীবনে যিনি হিন্দু ধর্ম মানেন না, যিনি নিজেই হিন্দু পরিবার ও সমাজের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছেন, ধ্বংস করেছেন। হিন্দু নির্যাতন দূরে থাক; কুমিল্লায় হিন্দুদের উপর হামলা ও অগ্নি সংযোগে সারা বিশ্ব প্রতিবাদে ফেটে উঠলেও তিনি কুমিল্লার বাসিন্দা ও এমপি হওয়া সত্বেও কোন কথা বলেন নি। মুসলিমের সাথে ঘর সংসার করা, আর বারবার স্বামী পাল্টানো মহিলার হিন্দু বিধিবিধান নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার অধিকার আছে কিনা?












