উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে মেট্রোরেল প্রকল্প, আর এতে অর্থায়ন করবে জাপান সরকার। জাপানের রাজধানী টোকিও থেকে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনকে এই তথ্য জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরে জাইকা এবং বিভিন্ন সংস্থার সাথে বৈঠকের সময় মেট্রোরেলে আরও বিনিয়োগের আশ্বাস দেয়া হয় বলে জানা গেছে।
তবে কী পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হবে সে ব্যাপারে এখনো জানা যায়নি। আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ঢাকা মেট্রো (মেট্রোরেল) শুরু হয়েছে। মেট্রোরেলে এমআরটি লাইন-৬ উদ্বোধন করেছেন। উনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় জনবান্ধব গণপরিবহন আনতে হবে। সে কারণেই মেট্রো আসছে। উনি মেট্রোরেলে এমআরটি লাইন-৬ উদ্বোধন করেছেন। আমরা আশা করছি, আগামী নভেম্বরের মধ্যে আপ টু মতিঝিল পর্যন্ত লাইন সিক্স সম্প্রসারিত হবে। লাইন টু এবং সিক্সের দিয়াবাড়ি থেকে টঙ্গী সম্প্রসারণের কাজটুকু আমাদের বাকি।’
‘জাপান আমাদের আরও কো-অপারেশন করবে জানিয়ে তিনি বলেন, জাইকা আগ্রহ দেখিয়েছে আমাদের অন্য লাইনগুলো করার জন্য। সে কারণে জাপানের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।’
মতিঝিল থেকে কমলাপুরের কার্যক্রম ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। এটা শেষ হওয়ার পর আমরা দিয়াবাড়ি থেকে আপ-টু টঙ্গী সড়ক শুরু করব জানিয়ে সচিব বলেন, এমআরটির বাকি লাইনগুলো সবাই আগ্রহ দেখাচ্ছে। এডিবি, কোরিয়াসহ ওয়ার্ল্ড ব্যাংকও আগ্রহ দেখাচ্ছে।
যোগাযোগ সচিব আরও জানান, সম্ভাব্যতা দেখে আরো বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান। রাজধানীর দিয়াবাড়ি থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল বসাতে ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় করছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রীর ষষ্ঠবারের জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে আটটি সমঝোতা এবং চুক্তি সই হয়েছে। যার মধ্যে মেট্রোরেল রয়েছে। এর আওতায় মেট্রোরেলকে দিয়াবাড়ি থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে। যার অর্থায়ন করবে জাইকা।
গত ডিসেম্বরে মেট্রোরেলের এক অংশ চালু হয়েছে। মতিঝিল পর্যন্ত অংশ এ বছরেই চালু হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এদিকে মেট্রোরেলের প্রকল্প পরিচালক ইনডিপেনডেন্টকে জানিয়েছেন, দিয়াবাড়ি থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সম্প্রসারণে আগে থেকেই পরিকল্পনা ছিল।












