• আমাদের সম্পর্কে
  • প্রাইভেসি পলিসি
  • শর্ত ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ করুন
  • Login
সোমবার, মার্চ ৯, ২০২৬
জনতার খবর
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • চাকরি
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • হকি ও ব্যটমিন্টন
    • হাডুডু
  • বিনোদন
  • সারাদেশ
    • খুলনা
    • চট্টগ্রাম
    • ঢাকা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • অন্যান্য
    • কৃষি ও মৎস্য
    • লাইফস্টাইল
    • কোভিড-১৯
    • অর্থনীতি
    • ধর্ম
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • শিক্ষা ও সাহিত্য
    • সম্পাদকীয়
    • স্বাস্থ্য
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • চাকরি
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • হকি ও ব্যটমিন্টন
    • হাডুডু
  • বিনোদন
  • সারাদেশ
    • খুলনা
    • চট্টগ্রাম
    • ঢাকা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • অন্যান্য
    • কৃষি ও মৎস্য
    • লাইফস্টাইল
    • কোভিড-১৯
    • অর্থনীতি
    • ধর্ম
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • শিক্ষা ও সাহিত্য
    • সম্পাদকীয়
    • স্বাস্থ্য
No Result
View All Result
জনতার খবর
No Result
View All Result
প্রচ্ছদ আন্তর্জাতিক

ভারতে ব্রিটিশ বিরোধী মুসলিম বিদ্রোহীদের ‘শহীদ’ সম্মান বাতিল হচ্ছে

জনতার খবর প্রকাশক জনতার খবর
আগস্ট ২৯, ২০২১
in আন্তর্জাতিক
A A
ভারতে ব্রিটিশ বিরোধী মুসলিম বিদ্রোহীদের ‘শহীদ’ সম্মান বাতিল হচ্ছে
0
VIEWS
ফেসবুকে শেয়ার করুনটুইট করুনপিন করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে নিহত, যাদের শহীদের সম্মান দেয়া হয়েছে, তাদের তালিকা থেকে প্রায় ৩০০ জন মুসলিম বিদ্রোহীর নাম বাদ দিতে চলেছে দেশটির ইতিহাস গবেষণা কাউন্সিল। এই বিদ্রোহীরা বর্তমানের কেরালা রাজ্যের মালাবার অঞ্চলে ১৯২১ সালে ‘মোপলা বিদ্রোহ’ নামে একটি ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন।

ওই বিদ্রোহ আসলে ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রাম ছিল, নাকি এক ধর্মীয় দাঙ্গা, তা নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

‘শহীদ’ সম্মান পাবেন যে কারণে
বর্তমান কেরালা রাজ্যের মালাবার অঞ্চলে আজ থেকে ঠিক এক শ’ বছর আগে মোপলা বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল ভারিয়ানকুন্নাথু কুঞ্জাহামেদ হাজী, আলি মুসলিয়ারদের নেতৃত্বে।

আরো দেখুন

নেপালে বিক্ষোভে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১, পলাতক ১২ হাজার ৫৩৩ কয়েদি

গাজায় ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞ বেড়েই চলেছে, প্রাণহানি ছাড়াল ৬১ হাজারে

সশস্ত্র সংগ্রামে প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিলেন বলে প্রচলিত ইতিহাস থেকে জানা যায়, যার মধ্যে ২৩৩৯ জন বিদ্রোহীও ছিলেন।

এই বিদ্রোহীদের মধ্যে ১০০ জনকে গ্রেফতার করে একটি বদ্ধ ট্রেনের কামরায় চাপিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়ে ৬৪ জনের মৃত্যু হয়। সে বছরের ১০ নভেম্বরের ওই ঘটনা ‘ওয়াগন ট্র্যাজেডি’ নামে ইতিহাসে চিহ্নিত। যারা বেঁচে গিয়েছিলেন, তারা একে অপরের মূত্র পান করে জীবনরক্ষা করতে বাধ্য হন।

সেই আন্দোলনে নিহত ৩৮৭ জনকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ‘শহীদ’ বলতে রাজী নয় ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিকাল রিসার্চ (আইসিএইচআর)।

২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত দিয়ে ডিকশনারি অফ মার্টার্স – ইন্ডিয়াস ফ্রিডাম স্ট্রাগল নামের যে গ্রন্থমালা প্রকাশ করেছিল আইসিএইচআর, তার পঞ্চম খণ্ডে মোপলা বিদ্রোহীদের শহীদই বলা হয়।

কিন্তু এখন কাউন্সিলের তিন সদস্যের এক কমিটি ঠিক করেছে যে ওই গ্রন্থ থেকে ৩৮৭ জন মোপলা বিদ্রোহীর নাম সরিয়ে দেয়া উচিত।

কেন শহীদ সম্মান ফিরিয়ে নেয়ার এই সিদ্ধান্ত?
তিন সদস্যের ওই কমিটির প্রধান, অধ্যাপক সি. আই. আইসাক বলছেন, ১৯২১-এর ওই বিদ্রোহ কোনো ভাবেই জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ছিল না। সেটি ছিল ধর্মীয় সহিংসতা।

‘ওই বিদ্রোহকে কখনোই স্বাধীনতা সংগ্রামের অংশ বলা যায় না। ওটা ছিল একটা ধর্মীয় সহিংসতা। জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরকরণের প্রচেষ্টা ছিল ওটা।’

‘যারা ধর্মান্তরকরণে রাজী হতো না, তাদের হয় মেরে ফেলা হতো নয়তো ভয়াবহ অত্যাচার করা হতো। আর যারা ভয় পেয়ে ধর্মান্তরিত হতেন, তাদের জোর করে আমিষ খাবার খাওয়ানো হতো। সেজন্যই ওই বিদ্রোহকে কখনোই স্বাধীনতা সংগ্রামের অংশ হিসেবে মানা যায় না।

কী ধরনের নথি যাচাই করা হয়েছে?
তার নেতৃত্বাধীন কমিটি যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে – তার কী কী প্রমাণ পেয়েছেন, এই প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আইসাক বলছিলেন, ‘নিশ্চয়ই। আমরা বহু নথি যাচাই করেছি। এর মধ্যে ব্রিটিশ প্রশাসনের নথিপত্র যেমন আছে, তেমনই আর্য সমাজের নথি রয়েছে। আবার মালাবার অঞ্চলের ডেপুটি কালেক্টরের নথিও আছে। এছাড়াও সমসাময়িক সংবাদপত্র, নানা আদালতের নথি, ইত্যাদি খতিয়ে দেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, ব্রিটিশ প্রশাসন ভারিয়ানকুন্নাথু কুঞ্জাহামেদ হাজীকে একজন দস্যু বা লুঠেরা বলে মনে করত। তাই ব্রিটিশ নথি বা সেই সময়ের আদালতের চার্জশিট – যা অধ্যাপক আইসাকের কমিটি যাচাই করেছে, সেখানে এরকম ভাষ্যই থাকবে বলে ধরে নেয়া যায়।

কৃষক বিক্ষোভই কি রূপান্তরিত হয় ব্রিটিশ বিরোধী বিদ্রোহে?
প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ সুমিত সরকার তার বই ‘মডার্ন ইন্ডিয়া : ১৮৮৫-১৯৪৭’-এ লিখেছেন, মোপলাদের অসন্তোষটা শুরু হয় আদতে কৃষিকে কেন্দ্র করেই। তিনি লিলেছেন, দক্ষিণ মালাবার তালুকে ১৮৬২ থেকে ১৮৮০ সালের মধ্যে জমি থেকে উচ্ছেদের ডিক্রি জারির সংখ্যা ৪৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

সেই সময়ে জমির মালিকানা ছিল মূলত নাম্বুদিরি সম্প্রদায়ের কব্জায়। এই সম্প্রদায়টিকে কেরালার ব্রাহ্মণদের মধ্যে উচ্চতম বলে মনে করা হয়। কিছু জমির মালিকানা ছিল নায়ার সম্প্রদায়ের মানুষরা আর সামান্য কিছু ছিল মুসলমানদের হাতে।

কৃষকদের মধ্যে মুসলমান এবং পিছিয়ে থাকা শ্রেণীর মানুষই ছিলেন বেশি।

উচ্চবর্ণের জমিদার সম্প্রদায়ের সাথে ব্রিটিশ রাজকর্মচারীদের খাতির থাকাই স্বাভাবিক। তাই কৃষকরা যখন বিদ্রোহ শুরু করেন ব্রিটিশদের সাথেই তাদের রাগ গিয়ে পড়ে স্থানীয় হিন্দু উচ্চবর্ণের জমিদারদের ওপরেও।

মোপলা বা মালাবার বিদ্রোহের ওপরে পণ্ডিত বলে যাকে মানা হয়, সেই অধ্যাপক কে. এন. পানিক্কর বর্তমানে কেরালা কাউন্সিল ফল হিস্টোরিকাল রিসার্চের চেয়ারম্যান।

ওই বিদ্রোহ নিয়ে লেখা তার বই ‘এগেইনস্ট লর্ড অ্যান্ড স্টেট, রিলিজিয়ান অ্যান্ড পেজ্যান্ট আপরাইসিংস ইন মালাবার’ একটি আকর গ্রন্থ।

অধ্যাপক পানিক্কর বিবিসিকে বলছিলেন, ‘এটা মূলত একটা কৃষক বিদ্রোহ, যেটাকে ধর্মীয় রঙ দেয়া হচ্ছে।’

খিলাফত প্রতিষ্ঠাই কি ছিল আসল লক্ষ্য?
আইসিএইচআর মনে করছে, মোপলা বিদ্রোহ আসলে ছিল তুর্কির খিলাফত প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা।

‘তাদের প্রধান লক্ষ্য তো ছিল তুর্কির খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা,’ বলেছিলেন অধ্যাপক সি. আই. আইসাক।

কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক আশরাফ কাডাক্কাল বলছিলেন, মাস ছয়েক ভারিয়ানকুন্নাথু কুঞ্জাহামেদ হাজী মালাবার অঞ্চল থেকে ব্রিটিশ প্রশাসনকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছিলেন, সেই সময়ে তিনি সেখানে মালয়লা নাদ প্রতিষ্ঠা করেন।

‘মালয়লা নাদ কথাটার স্থানীয় অর্থ হলো, যারা মালায়লাম ভাষায় কথা বলেন, তাদের জায়গা। হাজি তো খিলাফত নাম দেননি তার প্রশাসনের। তিনি নিজস্ব অর্থ ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন। শরিয়ত আইন বলবত করার কথা ভেবেছিলেন, সেটাও ওখানকার হিন্দু বাসিন্দাদের ওপরে বলবত হতো না,’ বলছিলেন অধ্যাপক আশরাফ কাডাক্কাল।

কে এই ভারিয়ানকুন্নাথু কুঞ্জাহামেদ
প্রচলিত ইতিহাস অনুযায়ী, উত্তর কেরালার নানা অঞ্চলে ব্রিটিশ বিরোধী প্রচার চালাতেন মালায়ালাম, আরবি আর কিছুটা ইংরেজি শিক্ষিত কুঞ্জাহামেদ হাজী।

প্রচারের সময়ে তিনি ব্যবহার করতেন কেরালার নিজস্ব মার্শাল আর্টসের নানা কায়দা, পল্লীগান প্রভৃতি। সেভাবেই তিনি গড়ে তুলেছিলেন প্রায় ৭৫ হাজার মানুষের এক বাহিনী।

১৯২০ সালের আগস্টে একটি মসজিদে হামলার পরেই সেই বাহিনী নানা দিকে ব্রিটিশ থানা ও সরকারি দফতরে হামলা চালায়।

প্রায় এক বছর ধরে সেই লড়াইয়ের পরে ১৯২১ সালের আগস্টে ভারিয়ানকুন্নাথু কুঞ্জাহামেদ ব্রিটিশদের তাড়িয়ে দিয়ে গড়ে তোলেন তার নিজস্ব প্রশাসন।

কিন্তু মাস ছয়েকের মধ্যে গ্রেফতার হন তিনি, আর গুলি করে মেরে ফেলা হয় তাকে।

কুঞ্জাহামেদ হাজীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া আগে ব্রিটিশ প্রশাসন বলেছিল তিনি যদি ক্ষমা ভিক্ষা করেন, তাহলে তাকে মক্কায় নির্বাসন দেয়া যেতে পারে।

তবে তার জবাব ছিল মক্কা তার প্রিয় জায়গাগুলোর একটা। কিন্তু তার জন্য যদি ব্রিটিশরাজের কাছে ক্ষমা চাইতে হয়, তার থেকে তিনি জন্মভূমিতে মৃত্যুকেই বেছে নেবেন।

তার জীবন কাহিনী নিয়ে ১৯৮৮ সালে এক কোটিরও বেশি টাকা খরচ করে তৈরি হয় একটি সফল ছবি।

ছবিটির নাম ছিল নাইনটিন টোয়েন্টি ওয়ান।

বিদ্রোহের শতবর্ষেও তাকে নিয়ে বেশ কয়েকটি ছবি হচ্ছে।

স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ না নিলেই জুটত শাস্তি
ইতিহাস থেকে এটাও জানা যায়, কুঞ্জাহামেদ হাজী হিন্দু-মুসলমান ব্যতিরেকে যারাই স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিত না, তাদেরই শাস্তি দিতেন।

কিন্তু মোপলা বিদ্রোহ আদতে কৃষক বিদ্রোহ হলেও মূল লক্ষ্য কেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ছিল, সেটাই ব্যাখ্যা করছিলেন কালিকট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক কে. এন. গণেশ।

অধ্যাপক গণেশ বলছিলেন, ‘প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সারা দেশেই বড় ধরনের অর্থনৈতিক সঙ্কট তৈরি হয়েছিল, যা সরাসরি কৃষকদের প্রভাবিত করেছিল। অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি প্রায় দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি তৈরি করেছিল সেই সময়ে।’

‘অভাবের তাড়নায় পড়া গ্রামীণ মানুষরা সারা দেশেই বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছিলেন। সেই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই এ ধরনের বিদ্রোহ গড়ে উঠেছিল – যেগুলোর অভিমুখ ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধেই।’

‘জালিয়ানওয়ালাবাগের জমায়েতটাও তো ছিল আদতে সেখানকার কৃষক-গ্রামীণ মানুষের অভাব অভিযোগের কারণেই। একই ভাবে অযোধ্যা, অন্ধ্রতেও বিদ্রোহ হয়েছে। এই মোপলা বিদ্রোহও সেই একই সময়ের ঘটনা। এটাকে বিচ্ছিন্ন করে দেখলে চলবে না। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন না বলা একেবারেই ঠিক নয়,’ বলছিলেন অধ্যাপক গণেশ।

মোপলা বিদ্রোহ নিয়ে কেন দ্বিমত
আরএসএস-পন্থী ঐতিহাসিকরা ওই বিদ্রোহকে ধর্মীয় দাঙ্গা হিসাবে দেখাতে চান আর অন্য এক অংশ ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র সংগ্রাম বলে মনে করেন।

বিজেপির এক নেতা রাম মাধব সম্প্রতি টুইট করেছেন যে মোপলা বিদ্রোহের মাধ্যমেই ভারতের মাটিতে প্রথমবারের মতো ‘তালেবানি’ চিন্তাধারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

আবার দ্বিতীয় অংশটি বলছে, আরএসএস যাকে দার্শনিক গুরু হিসেবে মানে, সেই বিনায়ক দামোদর সাভারকরকে যদি স্বাধীনতা সংগ্রামী বলা যায়, তাহলে মোপলা বিদ্রোহীদের সেই সম্মান দেয়া হবে না কেন।

কিন্তু তৃতীয় একটি অংশ আছেন ইতিহাসবিদদের মধ্যেই, যারা মনে করেন বিদ্রোহীদের মধ্যে, তাদের ভাষায় কিছুটা ধর্মীয় বাড়াবাড়ি হলেও মোপলা বিদ্রোহ ছিল আদতে ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র কৃষক সংগ্রাম।

সূত্র : বিবিসি

শেয়ার করুনTweetপিন করুন

এই বিভাগের আরো খবর

নেপালে বিক্ষোভে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১, পলাতক ১২ হাজার ৫৩৩ কয়েদি

নেপালে বিক্ষোভে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১, পলাতক ১২ হাজার ৫৩৩ কয়েদি

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৫
গাজায় ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞ বেড়েই চলেছে, প্রাণহানি ছাড়াল ৬১ হাজারে

গাজায় ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞ বেড়েই চলেছে, প্রাণহানি ছাড়াল ৬১ হাজারে

আগস্ট ৭, ২০২৫
হাসিনার পতনের দিন ৫ অগাস্ট দিল্লিতে দিনভর যা যা ঘটেছিল

হাসিনার পতনের দিন ৫ অগাস্ট দিল্লিতে দিনভর যা যা ঘটেছিল

আগস্ট ৫, ২০২৫
স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে সন্তানদের বিষ খাইয়ে আত্মহত্যা করলেন একজন শিক্ষক

স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে সন্তানদের বিষ খাইয়ে আত্মহত্যা করলেন একজন শিক্ষক

আগস্ট ৩, ২০২৫
মদিনাকে ‘স্বাস্থ্যকর শহর’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

মদিনাকে ‘স্বাস্থ্যকর শহর’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আগস্ট ৩, ২০২৫
গাজায় অনাহারের প্রতিবাদে অনশনে ৭ শতাধিক ইতালি ডাক্তার-নার্স

গাজায় অনাহারের প্রতিবাদে অনশনে ৭ শতাধিক ইতালি ডাক্তার-নার্স

জুলাই ৩১, ২০২৫

জনপ্রিয় সংবাদ

  • কাঠালিয়ায় দেনমোহরের টাকা পরিশোধ নিয়ে ঝগড়া, অতঃপর স্বামীর আত্মহত্যা

    কাঠালিয়ায় দেনমোহরের টাকা পরিশোধ নিয়ে ঝগড়া, অতঃপর স্বামীর আত্মহত্যা

    0 shares
    শেয়ার করুন 0 Tweet 0
  • কাঠালিয়ায় বখাটের উত্যক্তে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা

    0 shares
    শেয়ার করুন 0 Tweet 0
  • কাঠালিয়ায় গাছ থেকে পরে দিন মজুরের মৃত্যু

    0 shares
    শেয়ার করুন 0 Tweet 0
  • কাঠালিয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

    0 shares
    শেয়ার করুন 0 Tweet 0
  • কাঠালিয়ায় চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানকে মারধর ও হেনস্থা করেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা

    0 shares
    শেয়ার করুন 0 Tweet 0

প্রকাশক ও সম্পাদক:
মোঃ মাসউদুল আলম
ফোন: +৮৮০৪৯৫৬৫৭১
janatarkhabor.bd@gmail.com

“জনতার খরব” বাংলাদেশের সুস্থ্যধারার সংবাদ পরিবেশনকারী অন্যতম জনপ্রিয় একটি গণমাধ্যম।

আমাদের অনুসরণ করুন:

বাছাইকৃত সংবাদ

ড্রপ টেস্ট করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হবে- এমপি রফিকুল ইসলাম জামাল

কাঠালিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুইটি বসতঘর পুড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড়ি-ঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে

ঝালকাঠির নলছিটিতে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত

সর্বশেষ সংবাদ

ড্রপ টেস্ট করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হবে- এমপি রফিকুল ইসলাম জামাল

ড্রপ টেস্ট করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হবে- এমপি রফিকুল ইসলাম জামাল

মার্চ ৯, ২০২৬
কাঠালিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুইটি বসতঘর পুড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি

কাঠালিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুইটি বসতঘর পুড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি

মার্চ ৫, ২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঠালিয়ায় দেনমোহরের টাকা পরিশোধ নিয়ে ঝগড়া, অতঃপর স্বামীর আত্মহত্যা

কাঠালিয়ায় দেনমোহরের টাকা পরিশোধ নিয়ে ঝগড়া, অতঃপর স্বামীর আত্মহত্যা

আগস্ট ২৮, ২০২৪
কাঠালিয়ায় বখাটের উত্যক্তে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা

কাঠালিয়ায় বখাটের উত্যক্তে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা

আগস্ট ৩, ২০২২
  • About
  • Advertise
  • Careers
  • Contact

জনতার খবর © ২০২৫ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
error: Content is protected !!
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • চাকরি
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • হকি ও ব্যটমিন্টন
    • হাডুডু
  • বিনোদন
  • সারাদেশ
    • খুলনা
    • চট্টগ্রাম
    • ঢাকা
    • বরিশাল
    • ময়মনসিংহ
    • রংপুর
    • রাজশাহী
    • সিলেট
  • অন্যান্য
    • কৃষি ও মৎস্য
    • লাইফস্টাইল
    • কোভিড-১৯
    • অর্থনীতি
    • ধর্ম
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • শিক্ষা ও সাহিত্য
    • সম্পাদকীয়
    • স্বাস্থ্য

জনতার খবর © ২০২৫ সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত