বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। শুক্রবার ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। কামাল উপজেলার নিজামতলী গ্রামের মৃত কাসেম পঞ্চায়েতের ছেলে।
কামাল উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি ও বামনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে কামাল তার ঘর তালা দিয়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে পাশের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান থাকায় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য সেখানে যান। সেখানে স্ত্রী-সন্তান রেখে চা খেতে দোকানে যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে যান। পরে বেলা ১১টার দিকে বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ পাওয়া যায়।
নিহতের ভাই মাইনুল হোসেন বলেন, আমার ভাই আত্মহত্যা করেনি। ভাইয়ের মাথায় আঘাতের চিহ্ন আছে। ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার ভাইয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী কালাম গংদের মধ্যে বিরোধ চলমান ছিল। তারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
লাশ বহনকারী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক সিদ্দিক জানান, থানা থেকে তার গাড়িতে উঠানোর সময়ই লাশের মাথার পেছনে রক্ত দেখতে পান।
বামনা থানার ওসি মো. মাইনুল ইসলাম জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বিস্তারিত বলা যাবে। তবে পারিবারিকভাবে যেহেতু হত্যার দাবি করা হচ্ছে তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি আমরা।










