জনতার খবর ডেস্কঃ পদ্মা সেতু দেশের মানুষের আবেগ, ভালোবাসা এবং সক্ষমতার প্রতীক এ কথা বলেছেন, হাছান মাহমুদ। পদ্মা সেতু হচ্ছে শেখ হাসিনার বিশ্ব বেনিয়াদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রজেক্ট বাস্তবায়নের প্রতীক।
হাছান মাহমুদ আরো বলেন, পদ্মা সেতুর সমান হার্ডিঞ্জ ব্রিজ যদি বর্তমান সময়ে নির্মাণ করা হতো তাহলে খরচ হতো ৯৮ হাজার কোটি টাকা। যে তুলনায় পদ্মা সেতু তৈরিতে ৩০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা কম খরচ হয়েছে।
২৭ জুন সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯১০ সালে পদ্মা নদীর ওপর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ শুরু হয়, যেটি শেষ হয়েছিল ১৯১৫ সালে। পৃথিবীতে কোনো কিছুর মূল্যমান নির্ধারণ করা হয় স্বর্ণের মূল্যের ভিত্তিতে; আর তখন ডলারও ছিল না। হার্ডিঞ্জ ব্রিজের জন্য খরচ হয়েছিল ৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি আর স্বর্ণের মূল্য ছিল তখন প্রতি ১০ গ্রাম ১৮.৯৮ রুপি।
আজকে যার মূল্যমান ৬৮ হাজার টাকা। এই হিসেবে যদি হার্ডিঞ্জ ব্রিজ হিসেবে ধরা হয় তাহলে এতে খরচ হতো ১৭ হাজার ৩৫ কোটি টাকা। আর এর দৈর্ঘ্য হলো ১.৮ কিলোমিটার। অন্যদিকে পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। অর্থাৎ সাড়ে তিন গুণ বেশি লম্বা। যদি আজকে পদ্মা সেতুর সমান হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ করা হতো তাহলে খরচ হতো ৯৮ হাজার কোটি টাকা।
পদ্মা সেতুর সমান হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বানাতে খরচ হতো এক লাখ হাজার কোটি টাকা। তাই দুই ব্রিজের তুলনা করলে পদ্মা সেতু করতে ৩০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।












