ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠিতে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে শিশুসহ ১৭জন নিহত হয়েছে, এর মধ্যে কাঠালিয়া উপজেলার একনারীসহ দুই জন রয়েছে।
দুঘটনায় ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলা বাঁশবুনিয়া গ্রামের ব্যাংক কমকর্তা মোঃ জিয়াউল কবির এর স্ত্রী সালমা আক্তার মিতা (৪০) সে কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের দক্ষিন আনইলবুনিয়া গ্রামের তৈয়ব আলী খানের মেয়ে। আজ সকালে ভান্ডারিয়া থেকে বরিশালের বাসায় যাচ্ছিলো।
অপরদিকে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন কৈখালী গ্রামের মোঃ ফারুক তালুকদার (৪৮) নামে এক যাত্রী নিহত হয়। সে দক্ষিন কৈখালী গ্রামের মৃত কাঞ্জন আলী তালুকদারের পুত্র।
উল্লেখ্য যে, বরিশাল-ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া সড়কের ছত্রকান্দা নামক স্থানে এ দুঘটনা ঘটে। আজ ২২ জুলাই শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাসটি ভান্ডারিয়া থেকে বরিশালে যাচ্ছিলো।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভান্ডারিয়া থেকে অর্ধ শতাধিক যাত্রী নিয়ে বরিশালের দিকে যাচ্ছিলো যাত্রীবাহী বাসার স্মৃতি পরিবহন, ঢাকা মেট্রো-ব-১৪৬৫৪৯। বাসটিতে ৬০-৭০ জন যাত্রী ছিলো। পথিমধ্যে সদর উপজেলার ছত্রকান্দা এলাকায় পৌছলে ধানশিরি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনের মোড় ঘুরতেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে যায়। স্থানীয়রা দৌড়াদৌড়ি করে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। ইতিমধ্যে ফায়ারসার্ভিসের দুটি ইউনিট, র্যাব ও পুলিশ আড়াই ঘন্টা চেষ্টার পরে গাড়ীটি রাস্তায় তুলে আনেন। এ সময় ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া সড়কে দীঘ যানজটের সৃস্টি হয়। ২৫জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হলেও এরমধ্যে ১৭জনযাত্রী নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি। মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ৭ জন নারী, ৭ পুরুষ ও ৩টি শিশু রয়েছে। আশংকা জনকদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।










