ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠির পদ্মা-মেঘনা পেট্টোলিয়াম ডিপো সংলগ্ন সুগন্ধা নদীতে ওটি সাগার নন্দিনী-২ এর অঙ্গিকান্ডের পর নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে জাহাজের সোমবার ৩ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বিআইডবিøউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ এভি নির্ভিকের ডুবোরীদল। উদ্ধারকৃত মৃতদেহ সুপারভাইজার মাসুদুর রহমান বেলাল(৩৫) ও ড্রাইভার রুহুল আমিন(৩২) মাস্টার সরোয়ার খান(৪০)।
এই ঘটনায় এপর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ৪জনেরই মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকৃত মরদেহ সনাক্ত করেছেন তাদের স্ব-স্ব আত্মিয় পরিজন। ড্রাইভার রুহুল আমিনের বাড়ি বাকেরগঞ্জ ও মাসুদুর রহমানের বাড়ি চাঁদপুর এবং মাস্টার সরোয়ারের বাড়ি পিরোজপুর। ক্ষতিগ্রস্থ জাহাজ থেকে ডিজেলের পরে পেট্টোল অপশারনের কাজ চলছে। সোমবার সকাল থেকে উদ্ধারকারী জাহাজ এভি নির্ভিক কাজ শুরু ক্ষতিগ্রস্থ জাহাজের বিস্ফোরনে উড়ে যাওয়া মাস্টার ব্রিজ ও স্টাফ কেভিন থেকে লাশ উদ্ধার করে এবং জাহাজের অবকাঠামে তীরের দিকে নিয়ে আসে।
গত ১ জুলাই, শনিবার দুপুর আনুমানিক ২টায় ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে জালানী তেলবাহী জাহাজ ওটি সাগর নন্দিনী-২ দুঘর্টনার কবলিত হয়। পদ্মা পেট্টোলিয়াম কর্পোরেশন ১১ লক্ষ লিটার জ¦ালানী নিয়ে চট্রগ্রাম থেকে ঝালকাঠির ডিপোর উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে। সুগন্ধা নদীতের নোঙ্গর করা অবস্থায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জেলা প্রশাসক কর্তৃক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ রুহুল আমিনকে প্রধান করে এই তদন্ত টিম তদন্ত কাজ শুরু করেছে আগামী কাল জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করারর কথা রয়ছে। তবে, রুহুল আমিন তদন্তের বিষয় রির্পোট প্রদান না করা পর্যন্ত কোন তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।










