সাংবাদিকতায় যে কী নিরাপত্তা! ঘরে-বাইরে সমান অনিরাপদ; তেমনি কর্মক্ষেত্রেও। কালেরকন্ঠ পত্রিকাটি চালু থেকে দুই জেলায় দুই নারী সাংবাদিক সাফল্যের সাথে কাজ করেও আজ যেন তাদেরকে চাকরী হারাতে হচ্ছে! কোন ধরণের অভিযোগ ছাড়াই এই দু’ই নারী সাংবাদিকসহ ১৮ জনের চাকরীচ্যুত করা হয়। এটি সত্যিই যেন চরম অন্যায় এবং অমানবিকতা।
বিএমএসএফ’র নিকট যে দুজনের চাকরীচ্যুতের খবর নিশ্চিত হল তারা পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শিরিনা আফরোজ এবং মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি আয়েশা আকাশী। চাকরীচ্যুতের ঐ তালিকাটিতে মোট ১৮ জন রয়েছেন। শিরিনা আফরোজ এবং আয়েশা আকাশী তারা দু’জনেই ২০০৯ সাল থেকে দায়িত্বশীলতার সাথে পেশাগত দায়িত্বপালন করে আসছিলেন। এছাড়া বাকি ১৬ জন বিভিন্ন জেলায় কর্মরত ছিলেন।
একটি ভিন্নসূত্র বিএমএসএফকে জানিয়েছেন; একই সময়ে দেশের আরো বেশ সংখ্যক প্রতিনিধিকে চাকরী থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে মহামারী করোনাকালে এই সকল সাংবাদিকদের পরিবারের কথা চিন্তা করে কর্তৃপক্ষের নিকট চাকরীচ্যুতের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে দেখবেন। চাকরীচ্যুতের শিকার সাংবাদিকদ্বয় বলেন, আমাদের সাথে চরম অন্যায় ও অমানবিকতা দেখানো হচ্ছে; তারা কর্তৃপক্ষকে সদয় বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
বিএমএসএফ’র পর্যবেক্ষন ও গবেষণা বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়; দেশে হোটেল-রেস্তোরা, মুদি দোকানের কর্মচারী,গার্মেন্টস কিংবা বিড়ি কারখানার শ্রমিক ছাটাই ইচ্ছে করলেই সম্ভব হয়না। ঐ সকল প্রতিষ্ঠানের মাঝেও মানবিকতা কাজ করে। কিন্তু দেড় লাইনের এক নোটিশে অর্ধ শতাধিক সাংবাদিক ছাটাইয়ের ঘটনাও দেশে অহরহ চলছে। অবিলম্বে সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়নের দাবি করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর। তিনি বলেন, দু’সাংবাদিকের চাকরীচ্যুতের ঘটনা চরম অমানবিক। (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)।












