কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধিঃ
বিরামহীন ভারী বৃষ্টি ও পূর্ণিমার জোঁয়ের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার ১১ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেঙ্গে গেছে উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের ডালির খালের বাঁধ। ফলে তিন থেকে চার ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে বাধঁ সংলগ্ন এলাকা।
কচুয়া-শৌলজালিয়া সংযোগ সড়কটি সাবেক ইউপি সদস্য নাজির আহমেদ খন্দকারের বাড়ির সামনে থেকে ভেঙ্গে যাওয়ায় ওই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছ। কৃষি ও মৎসের প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
পাকা আউশ ও আমনের বীজ তলাসহ কৃষকের বিভিন্ন ধরনের ফসলের মাঠ পানিতে ডুবে আছে। ভেসে গেছে পুকুর, হ্যাচারি সহ বিভিন্ন জলাশযের মাছ।
জোয়ার ও বিরামহীন বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে গ্রামের কাঁচা পাকা ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, গোয়ালঘর, গবাদি পশুর খাবার, মসজিদ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ সকল গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের রান্না ঘরের চুলায় পানি ঢুকে পড়ায় ওই পরিবারগুলো রান্না করতে পারছেন না।
ফলে এ ১১ টি গ্রামে মারাত্মক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো হচ্ছে কাঠালিয়া সদর, শৌলজালিয়া, আওরাবুনিয়া ও আমুয়া ইউনিয়ন।
রিক্সা চালক মোঃ তোকাব আলী বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়ায় এখন পর্যন্ত মাত্র বিষ টাকা আয় করতে পেরেছি। যদি এরকম সারাদিন বৃষ্টি থাকে তাহলে আজকে না খেয়ে থাকতে হবে।
রং মিস্ত্রী আঃ ছালাম জানান, আমাদের বাড়ী বিষখালী নদীর পাড়ে জোয়ারের পানিতে প্রায়ই আমাদের রান্নাঘরসহ
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন জানিয়েছেন, ১১শত পুকুরসহ বিভিন্ন জলাশয়ের মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ভেরী বাধঁ না থাকায় এ ধরনে ক্ষতি প্রতি বছরই হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানজিলা আহমেদ জানান, পাকা, আউশ ও আমনের বীজ তলাসহ ভিবিন্ন ফসলের ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় প্রয় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।










