কাঠালিয়া প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলা অফির্সাস ক্লাবে দুর্ধষ চুরি সংগঠিত হয়েছে। চোররা ক্লাবের আইপিএস এর ব্যাটারিসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এতে প্রায় লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
গত শুক্রবার রাতের যেকোনো সময় এ চুরি সংগঠিত হয়। চোর ক্লাবের ব্যন্টিলেটার ভেঙ্গে ভিতরে ডুকে এ সব মালামাল নিয়ে যায়।
শুক্র ও শনিবার ২ দিন সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় উপজেলা পরিষদের অধিকাংশ কর্মকর্তা কর্মচারী বাড়িতে অবস্থান করার সুযোগে এ চুরি হয়।
অফির্সাস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম এবং ক্লাবের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার অতনু কিশোর দাস মুন সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চত করেছেন। তারা জানান সাপ্তাহিক বন্ধ থাকার সুযোগে দুষ্কৃতিকারীরা ক্লাবে ডুকে মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান ও থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহীদুল ইসলামকে অবহিত করা হয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আশ^াস দেন।
উল্লেখ্য, ইদানিং কাঠালিয়া উপজেলা সদরে চোরের উপদ্রব মারাত্মক আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অতি সম্প্রতি কাঠালিয়া প্রেসক্লাব থেকে লক্ষাধিক টাকার পুরাতন রড চুরি হয়ে যায়। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসউদুল আলম জানান, গত মাসে ক্লাবে রাখা পুরাতন রড চোররা নিয়ে যায়।
উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসের অফিস সহায়ক মোঃ খলিলুর রহমান জানান, কর্মচারী ক্লাবের পিছন থেকে দরজা, জানালা রাতে চোরেরা খুলে নিয়ে গেছে।
এ ছাড়া দীর্ঘদিন যাবৎ সরকারি অব্যবহৃত ডরমেটরি ভবন, কর্মকর্তা কর্মচারীদের আবাসিক ভবন ও পরিত্যাক্ত কোর্ট ভবনের অধিকাংশ দরজা, জানালা ও গ্রীল চুরি হয়ে গেছে।
চুরির বিষয়টি প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এক নারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করলেও তিনি এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুম জানান, উপজেলা কৃষি অফিস ও উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন পরিত্যাক্ত সেচ যন্ত্র, ট্রাক্টরসহ ও অকেজ মেশিনের যন্ত্রাংশ উপজেলা পরিষদের পরিত্যাক্ত আবাসিক ভবনের সামনে থেকে চুরি হয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় জনতা মনে করেন চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও চোরদের বিরুদ্ধে দ্রæত আইনী ব্যবস্থা নেয়া দরকার।










