ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠি জেলার ৪টি উপজেলায় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রথম দশ মাসে ১৭৯ কোটি ১০লাখ ৯৫ হাজার টাকার লক্ষমাত্রার মধ্যে ১২ হাজার ২৫০জনকে ১৬১ কোটি ৯৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকার কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
ঋণ বিতরণের লীড ব্যাংক কৃষি ব্যাংকসহ ২২টি ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হলেও মেঘনা ও ইউনিয়ন ব্যাংক ঋণ বিতরণ করতে পারেনি। ঋণ বিতরণের হার ৯০% এবং আশা করা হচ্ছে আগামী ২মাসের মধ্যে ঋণ বিতরণের অর্জন শতভাগ সম্ভব হবে। সোমবার বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা কৃষি ঋণ বিতরণ কমিটির সভায় এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ কাওছার হোসেন সভাপতিত্ব করেন।
তথ্য বিবরনীতে ৪% সুদে ডাল, তৈল ও মসলা জাতীয় ফসল চাষে কোন ঋণ দেয়া হয়নি। অন্য খাতগুলির মধ্যে শস্য চাষে ৮ কোটি ৩লাখ ১৬ হাজার টাকা, মৎস্য খাতে ১ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার টাকা, প্রাণীসম্পদ খাতে ২ কোটি ৩৩ লাখ , সেচ খাতে ১লাখ টাকা, দারিদ্র বিমোচন খাতে ৩৩লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ৫ কোটি ৬৯ লাখ ৭৪ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাংকগুলির মধ্যে কৃষি ব্যাংক তাদের ১৬টি শাখার মাধ্যমে ৯ হাজার ১৭০জনকে ১২৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বিতরণ করে লক্ষমাত্রার ৯৯% ইতিমধ্যেই অর্জন করছে। ২য় অবস্থানে রয়েছে সোনালী ব্যাংক। এই ব্যাংক ৭৫৫জনকে ৬ কোটি ৬লাখ টাকা বিতরণ করে লক্ষ্যমাত্রা ৮৭% অর্জন করেছে।
অনুরূপ সময়ে ইউনিয়ন ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংক ব্যতিত ২০টি ব্যাংকের ১৯৫ কোটি ৫৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা আদায়ের লক্ষমাত্রা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে এই ১০ মাসে ব্যাংকগুলি ১৫৫ কোটি ৬৮ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আদায় করেছে। অন্যান বছরের চেয়ে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা এবছর তুলনামূলকভাবে বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে।
আদায়কারী ২০টি ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ব্যাংক ১২১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, ২য় অবস্থানে ইসলামী ব্যাংক ১০ কোটি ৫৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা ঋণ আদায় করেছে। ঝালকাঠি জেলায় এপ্রিল মাস পর্যন্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ কৃষি ঋণের পরিমাণ ৬৬ কোটি ১৭ লাখ ৮৯ হাজার টাকা এবং অনাদায়ী কৃষি ঋণের পরিমাণ ৩৯৩ কোটি ৭১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা এসে দাড়িয়েছে। এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ৪৯৮টি সার্টিফিকেট মামলা রয়েছে এবং মামলাভ‚ক্ত দাবীর পরিমান ৫ কোটি ৩৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।










