ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠিতে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে প্রস্তুত গবাদি পশু মেটাতাজাকরণ খামারগুলো। শেষ মুহুত্যের সুষম খাবার দিয়ে লালন পালন করে কোরবানি উপযোগী করে বিক্রির জন্য গবাদিপশু প্রস্তুত করেছে।
তবে পশু খাদ্যের দাম বাড়ায় খামারিদের টিকেয়ে রাখতে ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ করার দাবি তাদের। এ বছর স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই জেলার কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো যাবে বলে মনে করছেন জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
ঝালকাঠিতে বছরজুরে দেশি-বিদেশি গরু লালন পালন করা হলেও এর বেশিরভাগই বিক্রির হয় কোরবানিতে। ঈদকে ঘিরে রাতদিন বিক্রয়যোগ্য পশুগুলোর নেওয়া হচ্ছে বাড়তি যতœ। প্রতিদিন খাওয়ানো হচ্ছে খর ও ঘাসের সংঙ্গে দানাদার বিভিন্ন নিরাপদ ও সুষম খাবার। লাভের আশায় নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন খামারিরা। অনেক খামারে গরু বিক্রির আগাম কর্যক্রমও শুরু হয়েছে। জেলার খামারগুলোতে প্রস্তুত করা হচ্ছে দেশি, অস্ট্রেলিয়ান, হলস্টিন সহ বিভিন্ন জাতের গরু। তবে এবছর গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় পশুর ন্যায্য দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা। পাশাপাশি কোরবানির পশুরহাটগুলোতে অবৈধপথে ভারতীয় গরু আসা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি খামারিদের।
স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই এবছর জেলার কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব। তাই খামারিদের প্রাকৃতিকভাবে পশু লালন পালনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানায় প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিপ্তরের তথ্য মতে, এবছর জেলায় দেড় হাজার খামারে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে ২০ হাজার গবাদিপশু।










