আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল ইসলাম গাদ্দাফি। রোববার নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। আগামী ২৪ ডিসেম্বর দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা।
লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সেবাতে তিনি তার মনোনয়ন নিবন্ধন করেছেন বলে জাতীয় নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে। রোববার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে নিবন্ধনের জন্য তিনি জনসম্মুখে আসেন। মনোনয়ন পত্রে স্বাক্ষর করার সময় সাইফকে সাদা দাড়িতে চশমা পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে।
এবারের নির্বাচনে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রার্থী ৪৯ বছর বয়সী সাইফ। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকছেন পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতার, প্রধানমন্ত্রী আব্দুল্লা হামিদ ও পার্লামেন্ট স্পিকার আগুইলা সালেহ।
২০১১ সালে বাবা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার আগ পর্যন্ত লিবিয়ার রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন সাইফ। ওই বছরের অক্টোবরে ন্যাটো জোটের সহায়তায় গাদ্দাফিকে আটক ও হত্যা করে বিদ্রোহীরা। এরপর থেকে লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান সাইফ।
এর আগে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে সাইফ জানিয়েছিলেন, লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে চান। তিনি বলেন, আমি দশ বছর ধরে লিবিয়ার জনগণ থেকে দূরে রয়েছি। ধীরে ধীরে ফিরে আসতে হবে। জনগণের মন জয় করতে হবে।
২০১৩ সালে ত্রিপোলির একটি আদালত সাইফসহ গাদ্দাফির শাসনামলের প্রায় ৩০ জন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাকে ২০১১ সালের অভ্যুত্থানের সময়কার অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। ওই অভুত্থানে গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হন। পরে ২০১৫ সালে সাইফসহ আটজনের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। বাবা গাদ্দাফি হত্যার পর তাকেই লিবিয়ার পরবর্তী উত্তরসূরি ভেবেছিলেন অনেকে। কিন্তু তা হয়ে উঠেনি। গাদ্দাফির সাত সন্তানের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনজন।












