কাঠালিয়া প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শামছুল আলম প্রতিহিংসার স্বীকার হয়ে জেল হাজতে রয়েছেন বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
ইউপি সদস্য শামছুল আলম গত বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বিনাপানি বাজার থেকে পুলিশ তাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। পরিবারের দাবি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা একটি মিথ্যা মামলায় তাকে আসামী করে হয়রানি করছেন। কেননা শামছুল আলম শৌলজালিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বার বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য।
তিনি বিরতীহিন ভাবে পর পর তিন বার নির্বাচিত ইউপি সদস্য হয়েছেন। তার জনপ্রিয়তায় প্রতিপক্ষরা ঈর্ষান্বিত হয়ে মামলা বাজ এক নারীকে দিয়ে একটি হয়রানি মূলক মামলা করে তাকে গ্রেফতার করানো হয়। আমরা তার মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয় শ্রমিক মোঃ চুন্নু মিয়া জানান, আলম মেম্বর গাছের ব্যবসা করেন। এ সুবাদে পশ্চিম শৌলজালিয়া গ্রামের রেখা বেগম এর বাড়ীর পিছনে (মেম্বরের) ক্রয়কৃত গাছ কাটতে যাই। এ সময় অসতর্কতা ভাবে গাছের একটি অংশ রেখা বেগমের বিল্ডিং এর ছাদে পড়লে, ছাদের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরে গাছ ব্যবসায় ইউপি সদস্য শামছুল আলম ক্ষতিগ্রস্থ অংশটি পুনরায় মেরামত করে দেয়ার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে ছাদ মেরামত করতে গেলে বাড়ীর মালিক রেখা বেগম পুরো ছাদ নির্মান করার দাবি জানান। পরে সে ক্ষুব্দ হয়ে রেখা বেগমে এর বাসুর শহিদুল ও আলম মেম্বরসহ তিনজনকে আসামী করে কাঠালিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে মেম্বরের কোন দোষ নাই।
ইউপি সদস্যর স্ত্রী তাসলিমা বেগম জানান, রেখা বেগমের বাড়ীর পিছনের গাছ কাটতে গেলে গাছের কিছু অংশ রেখার বাড়ীর ছাদে পরে কিছু ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরে এ বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ভাবে শালিশ বৈঠক হলেও কোন মিমাংসায় না গিয়ে আমার স্বামীর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের ক-ুপরামর্শে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিন উভয়ের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়েছে, কিন্তু কোন মারামারির ঘটনা ঘটেনি। আমার স্বামী প্রতিহিংসার স্বীকার, তার নিঃশর্ত মুক্তি চাই।
মাছুম বিল্লাহ জুয়েল
কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি
01716487964










