ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
আজ ভয়াবহ ১৫ নভেম্বর। ২০০৭ সালের এই দিনে সুপার সাইক্লোন সিডরের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠি। নিহত হয় বহু মানুষ।
এ সময় হাজার হাজার পশু পাখি, জীব-জন্তু মারা যায়। মাটির সাথে মিশে যায় ঘর-বাড়ী, গাছ-পালা, ক্ষেতের ফসল। ঝালকাঠির সর্ব দক্ষিনের উপজেলা কাঠালিয়ার ক্ষয়-ক্ষতি ছিলো জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
দীর্ঘ ৫৪ বছর যাবৎ বিষখালী নদীতে বেড়ী বাঁধ না থাকায় এর ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান বেশি হয়েছে। সিডরের দেড় যুগ পেরিয়ে গেলেও এখানকার বেড়িবাধ নির্মিত হয়নি। নিম্ন চাপের খবর শুনলেই আতঙ্কিত হয়ে পরে কাঠালিয়া উপজেলার দু’লক্ষাধিক মানুষ। বিশেষ করে নদীর তীরবর্তী বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের মতে, ২০০৭ সালের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড় সিডরের ছোবলে ঝালকাঠির দক্ষিনের উপজেলা কাঠালিয়া সম্পূর্ন বিধ্বস্ত হয়ে যায়। জেলায় নিহত ৫২ জনের মধ্যে ২১জনই ছিলো কাঠালিয়া উপজেলার। আমুয়া বন্দর ও কাঠালিয়া লঞ্চঘাট এলাকা সহ উপজেলার একটি বাড়ীও অক্ষত ছিলনা। গাছ-পালা, পশু-পাখি কোন কিছুই রক্ষা পয়নি সিডরের থাবা থেকে। এত ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতির মুল কারন ছিলো বিষখালী নদীর তীরে বেড়িবাধ না থাকা।
সিড়রের ক্ষয়-ক্ষতি পর্যালোচনা করে ঐ সময় এ উপজেলায় স্থায়ী বেড়িবাধ নির্মানের জন্য জরুরী পদক্ষেপ নেয়ার তাগিত দেয়া হলেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি বেড়িবাঁধ। স্বাভাবিক জোয়ারের পানিতেই প্লাবিত হয় উপজেলা বেশিরভাগ এলাকা। পানি ঢুকে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ক্ষেতের ফসল। সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির খবর শুনলেই আতঙ্কিত হয়ে পরে বিষখালী তীরবর্তী এই জনপদের মানুষ।










