প্রকৃতি তার জড়তা কাটিয়ে দখিনা বাতাসে জানান দেয় এসেছে নতুন ঋতু। গাছের ডালে কোকিলের ডাক আর ফুলে ফুলে যেন মিষ্টি ঘ্রাণে জানান দেয় ফাল্গ–নের আগমন। শীতকে বিদায় জানাতে ঋতুরাজ বসন্ত এসে হাজির হয়ে যায় নতুন রূপে প্রকৃতির মাঝে।
সারি সারি গাছে নানা রঙের ফুলের আগমন জানান দেয় বসন্ত এসে গেছে। চারদিকের বর্ণিল সাজ আর রঙের পসরাতে ভিন্ন এর মাদকতা কাজ করে সবার মাঝে। তাই তো কবির ভাষায় বলা হয় ‘ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক আজ বসন্ত’।
ঋতুরাজ এ বসন্তে শুধু প্রকৃতি নয় মানুষও সেজে উঠে প্রকৃতির সঙ্গে।প্রকৃতিতে ফাল্গুনের হাওয়া, বাতাসে বসন্তের উন্মাদনা। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতি সেজেছে বর্ণিল সাজে। গাছে গাছে পলাশ আর শিমুলের মেলা। প্রকৃতিও আগুনরঙা ভালোবাসার রঙে নিজেকে রাঙিয়ে নিয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকৃতি জানান দিচ্ছে আজ পহেলা ফাল্গুন। ফাল্গুনের হাত ধরেই ঋতুরাজ বসন্তের আগমন। সেই সঙ্গে গানে আর অনুভূতিতে এক ইদিনে এসেছে ভালোবাসা দিবস। ঋতুরাজের হাত ধরে এসেছে ভালোবাসার দিনটি। তাইতো ঋতুরাজ বসন্তে ভালোবাসার দোলা দিচ্ছে সবার অন্তরে অন্তরে। আজ পয়লা ফাল্গুন। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। সব অতীত পেছনে ফেলে নতুন কিছুর প্রত্যয়ে বর্ণিল সাজে আজ থেকে বদলে যাবে প্রকৃতি। আর কবির ভাষায় জানান দেবে ‘ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক আজ বসন্ত’। বসন্তকে সামনে রেখে গ্রামবাংলায় মেলা, সার্কাসসহ নানা বাঙালি আয়োজনের সমারোহ থাকবে। ভালোবাসার মানুষেরা মন রাঙাবে বাসন্তী রঙেই। শীতের সাথে তুলনা করে চলে বসন্তকালের পিঠা উৎসবও।
তাই কবিগুরু বলেছেন ” ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান, তোমার হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান।
আমার আপন হারা প্রাণ
আমার বাধন ছেঁড়া প্রাণ।
কবিগুরু বসন্ত কবিতায় কবিতায় বসন্তের আগমন সম্পর্কে বলেছেন-
“অযুত বৎসর আগে হে বসন্ত,
প্রথম ফাল্গুনে মত্ত কুতূহলী,
প্রথম যেদিন খুলি নন্দনের
দক্ষিণ-দুয়ার মর্তে এলে চলি। “
বসন্ত ঋতু আমাদের প্রকৃতিকে নতুন করে সাজায়। তবে এই ঋতুটি খুব সংক্ষিপ্ত। এই সংক্ষিপ্ততাই হয়তো এই ঋতুকে পছন্দ করার বিশেষ কারণ।বস্তনকাল আমাদের জীবনকে আলোকিত করে। তাই বসন্ত ঋতুই হলো সবার পছন্দের।










