মো: মোছাদ্দেক হাওলাদার
শুভ জন্মদিন! মিথী হাওলাদার। বন্ধু জন্মদিনে তোকে উপহার হিসেবে দেয়ার মতো কিছু নেই আমার কাছে । যতটুকু দিতে পারি তা হলো অকৃত্রিম শুভেচ্ছা আর হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা। রাগ, অভিমান ও ভালোবাসায় বন্ধুত্বের বন্ধন অটুট থাকবে । কখনো ভুল বুঝা বুঝিতে বন্ধুত্বে ফাটল সৃষ্টি হবে না। দায়িত্বশীল মনোভাব, কর্তব্যবোধ আর নিষ্ঠার সাথে পাড়ি দিতে হবে আগামীর বন্ধুর পথ। স্রষ্টার সৃষ্ট ধরণীতে একজন প্রকৃত বন্ধুর সানি্নধ্যে আসতে পারা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। বন্ধু তুই তা অনুমান করতে পারবি না। বন্ধু তোর তুলনায় শুধুই তুই।
দুষ্টুমি, আড্ডা, আর রূপকথার গল্প বোনে স্কুলের দিনগুলো। বাড়ির বাইরে প্রথম দীর্ঘক্ষণ সময় কাটানোর ঠিকানাই ছিল স্কুলই। এছাড়াও বন্ধু শব্দের মানে যে কী-তাও প্রথম শেখা কিন্তু ওই স্কুল থেকেই। শিক্ষকদের বকুনি, বন্ধুদের সঙ্গে খুনসুটি এই সবকিছুর প্রথম সূচনা কিন্তু স্কুলেই। তাই স্কুলের বন্ধুরা থেকে যায় আজীবন। সেই বন্ধুত্বের কোনও পরিবর্তন নেই। যে কোনও সমস্যায় প্রথমে সেই পাশে পাওয়া যায় স্কুলের বন্ধুদেরই। কলেজ লাইফ, ভার্সিটি লাইফের বন্ধুত্ব নাকি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যায়। কিন্তু স্কুল লাইফের বন্ধুত্ব কখনো ভোলা যায়না। একটা সময়ে স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও সেই পুরানো বন্ধুত্বটা ঠিকই মজবুত থাকে। পরবর্তী জীবনের বন্ধুরা স্কুল জীবনের বন্ধুদের মতো নিখাঁদ হয় না।
বন্ধু আজ তোর জন্মদিন। তোর কত শত নামি দামী বন্ধুর ভিড়ে আমার দেয়া ছোট্ট উপহারটি চাপা পড়ে যেতে পারে। তাতে অমি অতটুকু হাতাশাগ্রসস্থ নই, যতটুকু হওয়ার কথা। ভুল কিছু লিখে থাকলে বন্ধুত্বের গুণে শুধরে দিস। ক্ষমা করিস না। তোর জন্মদিনে অকৃত্রিম শুভেচ্ছা আর হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা।বন্ধু; দিন নয়, মাস নয়, বছরও নয় হাজার বছর বেঁচে থাক। তোর জীবন অনেক সুন্দর হোক। হাসি আনন্দের মাঝে পরিবারের সাথে, কোন সু-সঙ্গী নিয়ে অতিবাহিত হোক তোর ভবিষৎ জীবন।
ভাল থাকিস বন্ধু… সব সময়। পাশে থাকিস। জানিস তো আমি কেমন তবুও………
শুভেচ্ছান্তে:
মো: মোছাদ্দেক হাওলাদার,
তোর বন্ধু ও স্কুল জীবনের সহপাঠী।










