কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলা সদরে দক্ষিণ আউরা খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে মেরামত করেছে।
আজ শনিবার ৯ আগস্ট সকাল ১১ টায় এলাকাবাসী এ কর্মসূচি পালন করেন।
১৯৬১ সালে ঝালকাঠির জেলা পরিষদ কাঁঠালিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ আউরা খালের উপর এ ব্রীজটি নির্মাণ করে দীর্ঘ ৬৫ বছরের পুড়ানো এ লোহার ব্রিজটি তেমন কোনো সংস্কার করা হয়নি।
লক্কর-জক্কর এ ব্রিজটিতে একজন মানুষ পারাপারের সময় হেলে দুলে পড়ে। অথচ এ ব্রিজটির পূর্ব পাশের্^ ১০ মিটারের মধ্যে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস, ভ‚মি অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, বিআরডিবি ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সহ উপজেলা পরিষদ, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা রয়েছে। এ সকল প্রতিষ্ঠানে আগত লোকজনকে এ ঝুকিপূর্ন ব্রিজটি পারাপার করতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ বিভিন্ন সময় লক্কর-জক্কর এ ব্রিজটি পারাপার হতে গিয়ে একাধিক শিক্ষার্থী খালে পরে গুরুতর আহত হয়েছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরনা ধরেও কোন সমাধান না পেয়ে নিরাশ হয় ক্ষোভে স্বেচ্ছায় এ ব্রীজটি বাঁশ দিয়ে মেরামত করেন।
দ্রæত সময়ের মধ্যে ব্রীজটি ভেঙ্গে কংক্রিট ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।
কাঠালিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুন অর রশিদ বলেন- ১৯৬১ সনে এ ব্রিজটি নির্মান করা হয়েছে। গত ১৭ বছরের শাসন আমলে কয়েকটি ¯øাব পাল্টানো হয়েছি। তাছাড়া আমরা আর কিছু সংস্কার দেখিনি।
স্থানীয় ঔষুধ ব্যবসায়ী মোঃ নাহিদ ইসলাম জানান- এ ব্রিজটি পারাপার করতে গিয়ে একাদিক শিক্ষার্থী ও পথচারী পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে।
সামাজিক আন্দোলন কাঠালিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ অমিত হাসান তুহিন জানান, এ আউরা খালের ব্রিজটি উপজেলা পরিষদ থেকে ১০ গজ দূরে ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজ। আমরা এ ব্রিজটির সংস্কার চাই না, এখানে একটি গার্ডার ব্রিজ বা টেকসই ব্রিজ নির্মানের জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
চিশতিয়া দরবারের প্রধান খাদেম মোঃ মেহেদী হাসান উজ্জ্বল বলেন- এ ব্রিজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ন থাকায় বৃদ্ধ, রোগী ও শিশুরা পারাপার করতে পারছে না।










