ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠির সদর উপজেলা স্বল্পসেনা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার (৬৫) হত্যা ঘটনা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১২টায় ঝালকাঠির পুলিশ সুপার উজ্জ¦ল কুমার রায় আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে হত্যা ঘটনার সম্পর্কে ব্রিফ করেন।
গত ৮ মার্চ বিকেলে দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে তার সাথে কৃষি কাজ ও অন্যান্য কাজের সাথে জড়িত মোঃ সোহরাব হোসেন আকন (৪৯) ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার আসায় দেলোয়ার হোসেন হাওলাদারকে উপর্যপুরি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে। দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার সোহরাব হোসেনের সাথে আলাপচারিতায় সেনা কল্যান সংস্থা থেকে ৫০ হাজার টাকা পেয়েছেন এবং এই টাকা তিনি ছেলে বা অন্য কাউকে দিবেন না।
এই বিষয়টি জানার পরে সোহরাব হোসেন টাকার জন্য হত্যার পরিকল্পনা করেন। তবে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করার পরে তার ঘরবাড়ি তল্লাশি করে পকেটে মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েছেন। সে হত্যাকান্ড ঘটিয়ে দেলোয়ার হোসেনের মোবাইল ও তার রক্তাক্ত কাপড় চোপড়, হত্যা কাজে ব্যবহৃত দা ও আসামীর রক্তমাখা প্যান্ট গ্যাঞ্জি পার্শ্ববর্তী ডোবা নালায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে দেয় এবং তাকে গ্রেফতারের পরে তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে উদ্ধার করা হয়।
৫০ হাজার টাকার লোভে হত্যা করে সে মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েছে এই অনুশোচনা পুলিশের কাছে প্রকাশ করে। এই ঘটনার পরে ১০ মার্চ নিহতের ছেলে মাহমুদুল হাসান বাবু বাদী হয়ে দুজনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে এবং সোহরাব হোসেন আকনকে আদালতে সোপর্দ করার পরে সে এককভাবে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে মর্মে দোষ স্বীকার করেন।










