মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠির রাজাপুরে যাত্রীবাহী বাস ইসলাম পরিবহনের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী মো. রবিউল ইসলাম সাদ্দাম (২৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৯ টার দিকে ঝালকাঠি-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বড় কৈবর্তখালী গ্রামের সমবায়-ক্লবা বাসস্ট্যান্ড এঘটনা ঘটে। নিহত সাদ্দাম উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম পুটিয়াখালী এলাকার ইউনুস হাওলাদারের ছেলে। তিনি স্টারশীপ কোম্পানির রাজাপুর উপজেলায় বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ আতাউর রহমান।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাদ্দাম মোটর সাইকেল চালিয়ে রাজাপুর থেকে বাড়ি যাচ্ছিলো ভান্ডারিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বেপরোয়া গতির ইসলাম পরিবহন পথে ক্লাব বাসস্ট্যান্ডে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যায়। এরপর রাজাপুর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহতের চাচাতো ভাই ইমন বলেন, সাদ্দাম ভাই কাজ শেষ করে প্রতিদিনের মতো বাড়িতে যাচ্ছিলো পথে তাকে ইসলাম পরিবহন চাপা দিয়ে শেষ করে দিলো। তার ১ বছরের রহমাত নামে একটা শিশু সন্তান রয়েছে।
নিহতের ছোট ভাই আবুল কালাম বলেন, কে জানো কল দিয়ে বলে ক্লাব বাসস্ট্যান্ডে চলে আসো তোমার ভাই এক্সিডেন্টে করেছে। এসে দেখি ভাই আমার দুনিয়াতে নাই। ইসলাম পরিবহন এমন ভাবে চাপা দিয়ে গেলো আমার ভাইর মুখটাও দেখা যায় না। মাথার ঘিলু ও বাম হাত আলাদা হয়েগেছে।
পুটিয়াখালী ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. কালাম সিকদার বলেন, সাদ্দাম অনেক শান্ত ভালো মনের মানুষ ছিলো। ক্লাব বাসস্ট্যান্ডে মেসার্স ফরাজী স্ব মিল এবং রাইস মিলের সামনে রাস্তায় ভ্যান গাড়ি রেখে গাছ নামানোর কারণে সাদ্দাম মোটরসাইকেল চালিয়ে যেতে পারেন নায়। যার জন্য ইসলাম পরিবহন তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়। রাস্তায় এই ভ্যান গাড়িটি না থাকলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতো নাহ।
রাজাপুর থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন,
ঘটনা স্থানে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করার পরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মোটর সাইকেল ও ভ্যান গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।










