তিনি সুপারহিরো। দুনিয়াজোড়া তাঁর বহু ভক্ত। আছে স্বীকৃতিও। তবে রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের আক্ষেপটাও ছিল। কারণ কাঙ্ক্ষিত পুরস্কার অস্কারটা যে তার শোকেজে নেই।
আয়রনম্যান হিসেবে খ্যাত রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের কাছে এবারের অস্কারটা অন্যরকম হিসেবে ধরা দিল। সাপোর্টিং চরিত্রের জন্য পেয়েছেন পুরস্কার। আর চলচ্চিত্রের নাম ‘ওপেনহাইমার’।
![]()
পরমাণু বোমার জনক হিসেবে বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত বিজ্ঞানী জুলিয়াস রবার্ট ওপেনহাইমারের জীবনের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে সিনেমাটি। স্বাভাবিকভাবেই এতে যেমন পরমাণু বোমা বানানোর ঘটনা প্রাধান্য পেয়েছে বেশি, তেমনি ওপেনহাইমারের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নানা ঘটনাও উঠে এসেছে প্রাসঙ্গিকভাবেই। পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান।

ছবিতে ওপেনহাইমারের মানসিক দ্বন্দ্বকে ক্যামেরার সামনে দুর্দান্তভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন কিলিয়ান মারফি। বিজ্ঞানীর অনুসন্ধিৎসু মন, সফল হওয়ার আকাঙ্ক্ষা, প্রেমে মশগুল হয়ে যাওয়া বা হাড়ভাঙা খাটুনিতে পাওয়া সফলতার পর নাম না জানা অগণিত মানুষের রক্তে নিজের হাত লাল হওয়ার অনুভূতি—সবক’টিতেই মারফি ছিলেন অনবদ্য। এর বাইরে ওপেনহাইমারের মিত্রপক্ষ জেনারেল লেসলি গ্রোভসের চরিত্রে ম্যাট ডেমন এবং বিরোধী পক্ষ হয়ে ওঠা লুইস স্ট্রসের চরিত্রে রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। এই দুই হেভিওয়েট অভিনেতা নিপুণভাবে চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলেছেন।












