ইতিমধ্যে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়ে গেছে। সেই অনুযায়ী কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। আওয়ামী লীগসহ একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনের প্রস্ততি নিতে শুরু করেছে। অপরদিকে বিএনপিসহ বড় কিছু রাজনৈতিক দল এখনও নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার পক্ষে রয়েছে।
এ প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক অঙ্গন সহ সবখানে আলোচনা চলছে তফসিল পেছানো নিয়ে। কেননা বিএনপিসহ অন্যান্য দল নির্বাচনে আসলে তফসিল পেছানো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেও তফসিল পেছানো নিয়ে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে হচ্ছে।
বুধবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পাচ্ছি বিএনপিসহ বড় দলগুলোর নির্বাচনে আসতে চাচ্ছে। যদি তারা পর্দার অন্তরালে আলাপ-আলোচনা বা জোটবদ্ধ হয় তাহলে বিষয়টি (তফসিল) পেছানোর সুযোগ আছে।’
তিনি বলেন, ‘বড় রাজনৈতিক দলটি নির্বাচনে আসলে তফসিল পেছানো নিয়ে সংবিধানে সুযোগ আছে। তবে সময়মতো নির্বাচন না হলে সংবিধানে একটি শূন্যতা তৈরি হবে। তাই সময়মতো নির্বাচন হবে।’
আনিছুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনে কে আসলো কে আসলো না, এটা আমাদের বিষয় নয়। কেউ না আসতে চাইলে তাদের আনার দায়িত্ব আমাদের নয়। আমরা চিঠি দিয়েছি। নিবন্ধিত ৪২টি দল আছে।’
নির্বাচনে কত পার্সেন্ট (শতাংশ) ভোট পড়ল সেটা বিষয় নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন নির্বাচনের গতিতে হবে। সংবিধানে লেখা নেই কত ভোট সংগ্রহ হতে হবে।’
এর আগে, গত ১৯ নভেম্বর নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যে করার স্বার্থে ঘোষিত তফসিল পেছানো এবং সব দলের সঙ্গে সংলাপ আয়োজন করতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের প্রতি অনুরোধ জানান জাতীয় সংসদের বিরোধীদলের নেতা রওশন এরশাদ।
এ বিষয়ে আজ বুধবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও বলেছেন, সংবিধানের সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন কমিশন চাইলে তফসিল পেছাতে পারে, এতে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই। নির্বাচনের বিষয়টা পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের হাতে।












