বর্তমান বিশ্বের অন্যতম আলোচিত বিষয় এলিয়েন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে। এর কারণ, এসব দেশে হাজার হাজার আনআইডেন্টিফাইড ফ্লায়িং অবজেক্ট (ইউএফও) শনাক্ত হচ্ছে। তবে এগুলো এলিয়েনের সঙ্গে যুক্ত কি-না তা জানা যায়নি।
এলিয়েন কি সত্যিই রয়েছে? থাকলে এরা কবে দেখা দেবে? মানুষের সঙ্গে কবে হবে যোগাযোগ?
এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। তবে ইসরায়েলি-ব্রিটিশ জাদুকর ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তি ইউরি গেলার মনে করেন, এরই মধ্যে পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা শুরু করেছেন এলিয়েনরা। আগামী ১০-২০ বছরের মধ্যেই মানুষের সামনে এসে দেখা দেবে ভিনগ্রহের প্রাণী।
Friends was sent this today. If it’s fake please explain me how is this done. If it’s real wow amazing. 🛸 #ufo #UFOキャッチャーオンライン #UFO pic.twitter.com/YVa9fxxAr9
— Uri Geller (@theurigeller) December 28, 2022
ইউরি গেলার এ নিয়ে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাকে পরামর্শও দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যম মিররকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নাসার বিজ্ঞানীদের উচিৎ এলিয়েন যাতে যথাযথভাবে পৃথিবীর মাটিতে নামে, সেই ব্যবস্থা করা।
নিজেকে আধ্যাত্মিকতা চর্চাকারী দাবি করা গেলার বলেন, এলিয়েন কোনো হামলা চালাবে না। তবে তারা চাইলেই এই পৃথিবী ধ্বংস করে দিতে পারে। কিন্তু মানুষেরাই ওঁত পেতে আছে পরমাণু হামলা চালাতে।
নির্মাতা স্টিভেন স্পিলবার্গের সিনেমার মতোই এসে এলিয়েন নামবে বলে মনে করেন গেলার। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে হোয়াইট হাউসের লন কিংবা আইফেল টাওয়ারে এসে নামবে এলিয়েন।
এর আগে যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ডেইলি রেকর্ড জানায়, সৌরজগতের আশপাশেই এখন থাকতে পারে এলিয়েন। কয়েক বছরে দেখা ইউএফওর মাধ্যমে সে লক্ষণই পাওয়া গেছে। এলিয়েন চাচ্ছে না, মানুষ তাদের শনাক্ত করুক।
গত আড়াই বছরে যুক্তরাজ্যে দেখা গেছে প্রায় এক হাজার রহস্যময় বস্তু। বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় আনআইডেন্টিফাইড ফ্লায়িং অবজেক্ট (ইউএফও)। এ কারণে দেশটির বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, পৃথিবীর খুব কাছেই লুকিয়ে আছে ভিনগ্রহের প্রাণী (এলিয়েন)।
যেসব ইউএফও দেখা গেছে, সেগুলোর মধ্যে চারভাগের এক ভাগই তারার মতো দেখতে। এগুলো আকাশে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়েছিল। বাকিগুলো দেখতে গোলক ও সিলিন্ডারের মতো দেখতে। এগুলো আসলে কী, তা জানা যায়নি।












