ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন্স যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ডিমের পুষ্টিগুণের জন্য বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন একটা করে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু জানলে অবাক হবেন ডিমের পাশাপাশি খোসাতেও রয়েছে গুণাগুণ।
ডিমের খোসার গুণাগুণগুলো-
- ডিম ভাঙার পর খোসায় সামান্য ডিম থেকে যায়। ওই খোসাতে সামান্য মধু দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে মাখুন। এবার মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এ কাজে ঘরে বসেই ত্বকের উজ্জলতা ফিরে পাবেন।
- একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ডিমের খোসার গুড়ো ও মধু মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। ৫ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। শীতে কোমল ত্বক পান ঘরে বসেই।
- একটি বাটিতে মধু এবং অলিভ অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি চুলায় দিয়ে ৩০ সেকেন্ড হালকা গরম করুন (এই ধাপে ডিম মেশানো যাবে না)। মিশ্রণটি হালকা গরম হলে এবার চুলা থেকে নামিয়ে এরমধ্যে দুটি ডিম দিয়ে ভালোভাবে মিশ্রণটি মেশাতে হবে। তারপর মাথার ত্বকে ও চুলের গোড়ায় মিশ্রণটি ভালোভাবে লাগিয়ে আলতো হাতে মালিশ করতে হবে। এতে মাথার মৃতকোষ উঠে আসবে। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে একটি চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে কিছু মিশ্রণ পুরো চুলে ছড়িয়ে দিতে হবে। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। চুলের কন্ডিশনার হিসেবে ডিম এবং মধু বেশ কার্যকর। মাথার ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির কারণে চুলের যে ক্ষতি হয়, তা পুষিয়ে নিতেও সাহায্য করে। এ ছাড়াও ডিমের ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের গোড়া শক্ত করে চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে।
- ঘরোয়া এবং প্রাকৃতিক উপাদান সবসময়ই ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কারণ, এতে কোনো ধরনের কেমিক্যালজাতীয় উপাদান থাকে না।












