অনলাইন ডেস্কঃ নেত্রকোণার মদনে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে গেছে। নগদ অ্যাকাউন্টে আসা উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা না পেয়ে এমন অভিযোগ করছেন অভিভাবকরা। তবে এ বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, মোবাইল ব্যাংকিং নগদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় সরকার। শিক্ষার্থীদের কিট অ্যালাউন্স হিসেবে ১ হাজার টাকা এবং প্রতি মাসে বৃত্তির ১৫০ টাকা করে ৬ মাসের ৯০০ টাকা নিজ নিজ অভিভাবকদের নগদ অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মদন উপজেলার ৯৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা পাঠানো হচ্ছে। সেই টাকা উত্তোলন করতে গিয়েই বিপত্তির মধ্যে পড়ছেন অভিভাবকরা। একাধিক অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপবৃত্তির টাকা মোবাইল ব্যাংকিং নগদে আসার এসএমএস এলেও কোনো নোটিশ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে।
একাধিক অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপবৃত্তির টাকা মোবাইল ব্যাংকিং নগদে আসার এসএমএস আসলেও কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। অভিভাবক আল-আমিন তালুকদার জানান, আমার ছেলে মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। তার উপবৃত্তির ১০০০ টাকা নগদে আসে। আমি গত মাসের ৩০ তারিখ টাকা তুলতে গেলে দেখি আমার অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা নেই।
নগদ এজেন্ট খোরশেদ আলম জানান, জুলাই মাসের ১৯ তারিখের আগে যারা টাকা উত্তোলন করেছে তারা টাকা পেয়েছে। ১৯ তারিখের পর যারা টাকা উত্তোলন করেনি তাদের টাকা ফেরত চলে গেছে। তবে নগদ থেকে আমাকে একটি সফটওয়ার দিয়েছে সেখানে যাদের টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে তাদের নম্বর ও টাকার পরিমাণ লিখে এসএমএস করলে অফিস যাচাই-বাছাই করে আবার ফেরত দিচ্ছে। আমি এ পর্যন্ত এভাবে ৭-৮ জনের টাকা ফেরত এনে দিয়েছি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন জানান, প্রায় ২ লাখ অ্যাকাউন্টের টাকা বাউন্স ব্যাক হয়েছে এমন একটি চিটি পেয়েছি। যারা হয়তো নির্ধারিত সময়ের আগে উত্তোলন করেনি তাদের টাকা হয়তো কোনো কারণে বাউন্স ব্যাক হতে পারে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম লুৎফর রহমান জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে উপবৃত্তির টাকা তোলার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। সূত্রঃ আর টিভি।










