নাজমা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। প্রতিদিন সকালে বাসার কাজ সামলিয়ে অফিসে যান। আবার অফিস থেকে ফিরে ঢুকেন রান্নাঘরে। ইদানিং অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তিনি ভুলে যাচ্ছেন। যেমন: অফিসে যাওয়ার সময় বাসায় চাবি নিতে ভুলে যাচ্ছেন, রান্না শেষে চুলা বন্ধ করলেন কিনা তা ভুলে যান। আবার বাসা থেকে বের হবেন, ঠিক সেই মুহূর্তে ভুলে গেলেন চাবি কোথায় রেখেছেন।
প্রায় ১০ মিনিট চিন্তা করার পর খুঁজে পান চাবি। এই সমস্যা শুধুমাত্র নাজমা বেগমের তা কিন্তু নয়। ভুলে যাওয়ার সমস্যা কমবেশি অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তাঁরা বাসার চাবি, অফিসের ফাইল, বাজারের ফর্দ কোথায় তুলে রেখেছেন তা পরমুহূর্তে মনে করতে পারেন না। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যা বাড়তে পারে। ভুলে যাওয়ার সমস্যা সব সময়ে ডিমেনশিয়ার উপসর্গ নাও হতে পারে। আসুন জেনে নিন কোন কোন খাবার খেলে স্মৃতিশক্তি বাড়বে।
১. ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মাছ মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মস্তিষ্ক সচল এবং সক্রিয় রাখতে এই মাছ খেতে পারেন। সামুদ্রিক মাছে এই অ্যাসিড অনেক বেশি থাকে।
২. মস্তিষ্ক ঠিকঠাক রাখতে সবুজ শাকসবজির জুড়ি মেলা ভার। শাক সবজিতে রয়েছে ভিটামিন কে, ফোলেট, লুটেইন-এর মতো উপাদান। যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. কুমড়ো বীজ ফেলে না দিয়ে তা খাওয়ার অভ্যাস করুন। মিনারেলের উৎস হলো কুমড়োর বীজ। মিনারেলস ছাড়াও এতে রয়েছে জিঙ্ক, কপার, ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদানগুলো মস্তিষ্ক সচল রাখে।
৪. বাদাম খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, চিনা বাদাম অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের সমৃদ্ধ খাবার। বাদাম মস্তিষ্কের কার্যক্রম সচল রাখে।
৫. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী একটি খাবার হলো ব্রোকলি। মস্তিষ্ক সচল রাখতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের কোনো বিকল্প নেই। ব্রকোলিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। যদি ভুলে যাওয়ার রোগ থেকে মুক্ত থাকতে চান তবে নিয়মিত খেতে পারেন ব্রোকলি।
৬. আখরোট মস্তিষ্ক ভালো রাখতে বেশ কার্যকর। এতে আছে ভিটামিন ই, তামা ও ম্যাঙ্গানিজ। যা ভুলের যাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়।












